আজ, বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময়ের আগেই সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। কয়লা পাচার কাণ্ডে তাঁকে তলব করেছিল ইডি (Enforcement Directorate)। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের চার ঘণ্টার বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে। আর এরই মাঝে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এমন এক মন্তব্য করলেন, তা নিয়ে বেশ জল্পনা তৈরি হয়েছে।
এদিন সুকান্ত বলেন, “আজও বড় কিছু একটা ঘটতে পারে, আপনারা লক্ষ্য রাখুন”। একদিকে যখন ইডির দফতরে অভিষেকের জেরা চলছে, সেই সময় দাঁড়িয়ে বিজেপি নেতার এহেন মন্তব্যকে ঘিরে বেশ জল্পনা তৈরি হয়েছে। নানান মহলেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কী আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেফতার হওয়ার কোনও সম্ভাবনা রয়েছে? এই কারণেই কী এমন মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?
এর আগে কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী দাবী করেছেন যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নাকি বোঝপড়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে এদিন সুকান্ত বলেন, “দেখুন কোনও বোঝাপড়া নেই তা তো আমরা আগেই বলেছি। সেটা প্রমাণিতও হয়েছে। দিদি ঘুরে আসার পর পার্থ জেলে গিয়েছেন। কেষ্টও জেলে গিয়েছেন। জেলে আছেন। বোঝাপড়া থাকলে এই সমস্ত লোকেরা জেলে যেত? আগামি দিনেও আরও কিছু যাবে বলে মনে হচ্ছে। আজকেও বড় কিছু ঘটতে পারে। আপনারা লক্ষ্য রাখুন”।
কোন বড় ঘটনার ইঙ্গিত দিলেন সুকান্ত, এখন সেই নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। আর এমন একদিন যেদিন অভিষেক রয়েছেন ইডির দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য, সেদিনই এমন এক ইঙ্গিত কেন দিলেন সুকান্ত? আর যদি বড় কোনও ঘটনা ঘটেও, তাহলে সুকান্ত কীভাবে তা আগের থেকে জানলেন, তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।
সুকান্তর এই মন্তব্য প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার পাল্টা আক্রমণ করে বলেন, “সুকান্তর দলের নেতাই বলেছেন ওঁর কোনও ব্যক্তিত্ব নেই। এদের নজর শুধু ইডি-সিবিআই কী করছে, সে দিকে”। তৃণমূল নেতার দাবী, রাজ্যে একটা রাজনৈতিক চক্রান্ত চলছে। এর সঙ্গে কেন্দ্রীয় বিজেপি ও রাজ্য বিজেপির কিছু নেতা যুক্ত রয়েছে।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “বিজেপি নেতারা প্রতি পদক্ষেপে প্রমাণ করে দিচ্ছেন যে তাঁরা সব জানেন, তাঁদের অনুরোধে হচ্ছে বা স্বার্থে সব হচ্ছে। তাঁরাই আগাম সব বলে দিতে পারছেন”।






