Sukanta Majumdar warned about encounter: লোকসভা নির্বাচন শেষ হতেই রাজ্যে শুরু হয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসা। লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফার রাতে দুষ্কৃতীদের হামলায় খুন হয়েছেন বিজেপি কর্মী। এবার দলীয় কর্মীর খুন নিয়ে বিস্ফোরক বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ফের তাঁর মুখে শোনা গেল এনকাউন্টারের দাবী (Sukanta Majumdar warned about encounter)।
ভোট পরবর্তী হিংসায় বিজেপি কর্মীর খুন প্রসঙ্গে আজ, রবিবার সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কলকাতা, নদিয়া, বসিরহাটে ভোট পরবর্তী হিংসা চলছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে উত্তরপ্রদেশ ট্রিটমেন্ট হবে। পুরো এনকাউন্টার হবে। দুষ্কৃতীরা যেন সাবধানে থাকে। তাদের দিন ঘনিয়ে এসেছে” (Sukanta Majumdar warned about encounter)।
তবে এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও এনকাউন্টারের দাবী তুলেছিলেন সুকান্ত মুজুমদার (Sukanta Majumdar warned about encounter)। গত ফেব্রুয়ারিতে যখন পুলিশ শেখ শাহজাহানকে খুঁজছিল, সেই সময় সুকান্ত বলেছিলেন শাহজাহান, শিবু হাজরাদের এনকাউন্টার করা উচিত। সুকান্তের দাবী ছিল, “শাহজাহান, শিবু হাজরা, উত্তম সরদার যেই হোক, যারা এই কাজ করেছে আইনের উচিত এনকাউন্টার করে তাদের শাস্তি দেওয়া”। আর এবার ফের একবার এনকাউন্টারের দাবী শোনা গেল বিজেপি নেতার মুখে (Sukanta Majumdar warned about encounter)।
সুকান্তের এহেন মন্তব্যে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মত, তৃণমূলের অপশাসনের বিরুদ্ধে জনরোষের মুখ হয়ে ওঠার জন্যই এমন মন্তব্য করছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar warned about encounter)। তাদের মতে, তিনি মানুষকে বোঝাতে চাইছেন পুলিশের অত্যাচার থেকে একমাত্র বিজেপিই সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে পারে। অন্যদিকে, সিপিএমের বক্তব্য, সুকান্ত মজুমদারের কী তাহলে বিচারব্যবস্থার উপর কোনও আস্থাই নেই? আইনে আস্থা হারিয়েই কী তিনি বারবার এমন চরমপন্থি মন্তব্য করছেন?
বলে রাখি, ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একের পর এক দুষ্কৃতীকে এনকাউন্টারে খতম করা হয়েছে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে দুষ্কৃতীদের এভাবে শেষ করেছে উত্তরপ্রদেশের পুলিশ। এর বিরোধিতা করেছে সপা-কংগ্রেসের মতো সব রাজনৈতিক দলগুলিই। এবার এই এনকাউন্টারের কথা শোনা গেল বঙ্গ বিজেপির নেতার মুখেও (Sukanta Majumdar warned about encounter)।





