কার্যত বানভাসী অবস্থায় দিন কাটছে আসানসোলবাসীর। একটু জল নামলেও ফের নতুন করে জল এসে নতুন করে বিপত্তি হয়েছে শিল্পনগরীতে। বিগত কয়েকদিনে নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে আসানসোল বানভাসী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এর জেরে আসানসোলের নানা এলাকায় পানীয় জলের পাইপ ভেঙে গিয়েছে।
আসানসোল, রানিগঞ্জ, কুলটি, ও বার্ণপুর-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় এই একই ছবি ধরা পড়েছে। এখন বন্ধ পানীয় জলের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নির্জলা দিন কাটাতে হচ্ছে আসানসোলবাসীদের। এইসমস্ত জায়গায়গুলিতে জলের ট্যাঙ্ক পাঠানো হচ্ছে।
মেঘভাঙা বৃষ্টি এবং ডিভিসির জল ছেড়ে দেওয়ার কারণে একাধিক গ্রাম ভেসে গিয়েছে। টানা চারদিন ধরে জলবন্দি হয়ে থাকতে হয়েছে বাসিন্দাদের। তবে এখন আসানসোলে পরিস্থিতি খানিকটা পাল্টেছে। তবে পানীয় জলের পাইপ ফেটে ভেসে যাওয়ায় সেখানে মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তাঘাটের অবস্থাও খুবই খারাপ হয়ে পড়েছে। রানিগঞ্জের বাইপাসে জলের তোড়ে একটি কালভার্ট ভেঙে গিয়েছে।
এই প্রসঙ্গে আসানসোলের পুর প্রশাসক অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “প্রকৃতির কাছে মানুষ অসহায়। তবে দ্রুত ছন্দে ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। জলের পাইপলাইনের কাজ চলছে। রাস্তা সারানোর কাজও চলছে। চেষ্টা করছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার”। ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমায় দামোদরের জলস্তর কমেছে।
প্রসঙ্গত, সব গ্রাম থেকেই বন্যার জল নামতে শুরু করেছে। আর জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ছবি আরও স্পষ্টভাবে সামনে এসেছে। গ্রামের বাসিন্দাদের ঘর ডুবে গিয়েছিল। আর এখন দেখা যাচ্ছে পানীয় জলের হাহাকার। এই কারণে এবার পুরসভার পক্ষ থেকে জলের ট্যাঙ্ক পাঠিয়ে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু এত বড় এলাকায় এভাবে জল সরবরাহ করা কীভাবে সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।






