বাংলাদেশের পরিস্থিতি দিনদিন আরও খারাপ হয়ে পড়ছে। হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা থামার নাম নেই। ভারতের তরফে কড়া বিবৃতির পরও কোনও হেলদোল নেই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী ইউনুস সরকারের। এরই মধ্যে এবার ফের একবার বাংলাদেশকে শানিয়ে হুঙ্কার দিলেন এ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
বাংলাদেশে ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলবন্দি তিনি এখন। নানান অভিযোগ দায়ের হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁর মুক্তির দাবীতে সরব হয়েছেন এপার বাংলার সনাতনী সমাজ। বারবার মুক্তির দাবী তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ, মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগণার ঘোজাডাঙা সীমান্তে বিক্ষোভ কর্মসূচি করেন তিনি। সনাতনী হিন্দু সংগঠনের তরফে জমায়েত করা হয়েছিল সেখানে।
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আপাতত তলানিতে। এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনাকর্তা থেকে নানান নেতারা ভারতকে হুঁশিয়ারি শানাতেও ছাড়ছেন না। এবার এর প্রেক্ষিতেই পাল্টা দিলেন শুভেন্দু। এদিন বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে তিনি বলেন, “আমরা ৯৭ টি পণ্য না পাঠালে তোদের ভাত-কাপড় জুটবে না। ঝাড়খণ্ড থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ফরাক্কা দিয়ে না পাঠালে ৮০ ভাগ গ্রামে আলো জ্বলবে না”।
যুদ্ধবিমান পাঠানোর হুমকিও এদিন দেন শুভেন্দু। বলেন, “হাসিমারায় ৪০ টি যুদ্ধবিমান রাখা আছে। দুটো বিমান পাঠিয়ে দিলেই কাজ হয়ে যাবে”। শুধু তাই-ই নয়, এদিন শুভেন্দু অধিকারী এও মনে ক্রুয়ে দেন যে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৭ হাজার ভারতীয় সেনা শহিদ হয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে বনগাঁ পেট্রাপোল সীমান্তে কর্মসূচি করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় পণ্য পরিষেবার গাড়ি আটকানো ও রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘোজাডাঙায় যে তিনি বিক্ষোভ কর্মসূচি করবেন, তা গত সপ্তাহেই জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। সেই কারণে এদিন সকাল থেকেই এই সীমান্ত এলাকায় বেশ আঁটসাঁট নিরাপত্তা ছিল। এদিনও বাংলাদেশকে হুঙ্কার দিতে ছাড়লেন না বিজেপি নেতা।






