কোনও রকমের কোনও ওয়ারেন্ট ছাড়াই পুলিশ কীভাবে একজন বিরোধী দলনেতার কার্যালয়ে তল্লাশি চালায়, তা নিয়ে তিনি আগেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। এবার সেই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু অধিকারী।
আজ, মঙ্গলবার মামলা দায়ের করার অনুমতি চান তিনি। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার তরফে তাঁকে সেই অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই মামলার শুনানি হবে আগামী বৃহস্পতিবার।
উল্লেখ্য, গত রবিবার নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর কার্যালয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। সেখানে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন তমলুক মহকুমা পুলিশের আধিকারিকরা। এই ঘটনার পর শুভেন্দু টুইট করে লেখেন, “কোনও আগাম খবর না দিয়ে, কোনও তল্লাশির ওয়ারেন্ট ছাড়াই, কোনও ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াই রাজ্য পুলিশ জোর করে আমার নন্দীগ্রামের বিধায়ক অফিসে ঢুকে পড়ে। এটা বিরোধীদের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের ঘৃণ্য পরিকল্পনা”।
कोई पूर्व सूचना दिए बिना, बगैर तलाशी वारण्ट दिखाए, और मजिस्ट्रेट की उपस्थिति के बिना "ममता" पुलिस (पश्चिम बंगाल पुलिस) ने जोर जबरदस्ती मेरे नंदीग्राम विधायक कार्यालय में अनाहूत प्रवेश किया।
यह ममता सरकार की एक घटिया और क्रूर
साजिश है नेता विपक्ष के खिलाफ। pic.twitter.com/EAU5IEBPsg— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) May 15, 2022
সূত্রের খবর, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন মেঘনাদ পাল। তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে জাল নথি দিয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই নিয়ে একটি মামলা হয়। আর এরপরই নন্দীগ্রাম- ব্লকের হরিপুরে চালানো হয় তল্লাশি। তবে সেখানে মেঘনাদ বা তাঁর স্ত্রীকে পাওয়া যায় না। এরপরই শুভেন্দুর কার্যালয়ে তল্লাশি চালানো হয়।





