Suvendu Adhikari Said that Mamata Banerjee is Responsible for Increasing of CESC Bill: বিদ্যুতের বিল বাড়ানোয় রীতিমতো কালঘাম ছুটছে আমজনতার। হাজার হাজার টাকার বিল দিতে গিয়ে নাজেহাল অবস্থা মানুষের। এই বিল বাড়ানোর প্রতিবাদেই মুরলী ধর সেন লেন থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত মিছিল করে বিজেপি। এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari Said that Mamata Banerjee is Responsible for Increasing of CESC Bill)। বিদ্যুতের বিল অবিলম্বে না কমালে বিদ্যুৎ ভবন অভিযানের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এদিন এই অভিযান থেকেই বেশ আক্রমণাত্মক ভূমিকাতেই দেখা যায় শুভেন্দুকে। সিইএসসির এই বিল বাড়ানোর ঘটনায় তৃণমূলকেই দায়ী করেন তিনি (Suvendu Adhikari Said that Mamata Banerjee is Responsible for Increasing of CESC Bill)। বলেন, “৫ দিন আগে আমাদের প্রতিনিধি এই বিল্ডিংয়ে এসে বলেছিলেন প্রত্যাহার করার কথা। সিইএসসি তৃণমূলের কাছ থেকে ছাড়পত্র নিয়েই বিদ্যুতের বিল বাড়িয়েছে। এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে শুধু মিথ্যার আশ্রয় নেয়। ফুটো সরকার, দেউলিয়া সরকার পেট্রোল, ডিজেলে টাকা বিড়িয়েছে, ইলেকট্রিকের ট্যারিফ বাড়িয়েছে”।
এরপর আবার ডেডলাইনও বেঁধে দেন বিরোধী দলনেতা। বলেন, “প্রয়োজন হলে আবার আদালতের অনুমতি নিয়ে লাগাতার ৫ দিন এখানে বিক্ষোভ করব। ১৫ অগস্ট পর্যন্ত সিইএসসিকে সময় দিলাম। মডেল ইলেকট্রিক অ্যাক্ট চালু হয়ে গেলে বুঝতে পারবে! মনোপলি ব্যবসার বীজ বপন করেছিল সিপিএম। ৪০০ কোটিতে নিয়ে গিয়েছে তৃণমূল” (Suvendu Adhikari Said that Mamata Banerjee is Responsible for Increasing of CESC Bill)।
এদিন দলের কর্মীদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, “অগস্ট মাসে সিইএসসিএলাকায় সাক্ষর অভিযান করুন। তারপর প্রত্যাহার না করলে আবার আদালতের অনুমতি নিয়ে একদিন ২ ঘণ্টা বিক্ষোভ নয়, সোম থেকে শুক্র টানা ৫ দিন লাগাতার বিক্ষোভ করব” (Suvendu Adhikari Said that Mamata Banerjee is Responsible for Increasing of CESC Bill)।
শুভেন্দু জানান, তিনি কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, “বিদ্যুৎমন্ত্রীকে বলেছি। উনি কথা দিয়েছেন, মডেল ইলেকট্রিক বিল শীঘ্রই পাস হয়ে যাবে। তখন আর রাজ্যের এই মনোপলি ব্যবসা চলবে না”।
বলে রাখি, ২১ জুলাইয়ের পরদিনই এই বিদ্যুতের বিল বাড়ানোর ঘটনার প্রতিবাদে ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে ধর্না কর্মসূচি করতে চেয়েছিল বিজেপই। কিন্তু পুলিশের অনুমতি না মেলায় সেই মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্টের নির্দেশেই শর্তসাপেক্ষ কর্মসূচি করার অনুমতি পান শুভেন্দু অধিকারীরা। এদিনের এই কর্মসূচি মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন সজল ঘোষ, তমোঘ্ন ঘোষ, রাহুল সিনহা, অগ্নিমিত্রা পালরা।





