কথায় বলে, মাঘের শীত বাঘের গায়ে। মাঘ মাসের শুরুতে এমনটা হলেও, মাঘের মাঝবেলায় এসেই হঠাৎই গায়েব হয়ে গেল শীত। দক্ষিণবঙ্গে আর দেখা মিলছে না শীতের। তাপমাত্রা পৌঁছে গেল একলাফে ২০ ডিগ্রিতে। এক রাতেই কলকাতার তাপমাত্রা বাড়ল ৪ ডিগ্রি। এরই সঙ্গে আবার বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
কেমন তাপমাত্রা এখন শহরে?
আজ, বুধবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল, মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৯ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৫৯ থেকে ৮৯ শতাংশ। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে জানালেন আবহবিদরা। আগামী ৫ দিনে ঠান্ডা ফেরার কোনও আশা নেই।
কেন এমন হাল আবহাওয়ার?
হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে একটি উচ্চ বলয় তৈরি হবে। এত জেরে সাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকবে বঙ্গে। আবার ৩ ফেব্রুয়ারি নতুন করে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝাও ঢুকছে। ফলে সব মিলিয়ে শীতের বিদায় ঘণ্টা বাজল বলে। আবার উত্তর-পশ্চিম হাওয়ার বদলে রাজ্যে ঢুকছে পূবালী হাওয়া। শুক্রবার পর্যন্ত বৃষ্টির আভাস দিল আবহাওয়া দফতর।
কোথায় কোথায় হবে বৃষ্টি?
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামীকাল, বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এদিন থেকে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। আজ, বুধবার ও শুক্রবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে বলে খবর।
আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, কলকাতায় বৃষ্টি হতে পারে। আগামীকাল, বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও উপকূল সংলগ্ন প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা। শুক্রবার দু-এক জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা দু’এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায়।
উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া কেমন?
হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, ফেব্রুয়ারির শুরুতেই সিকিমে তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাব পড়বে দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায়। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। ঘন কুয়াশার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।






