TMC allegedly threatened BJP worker wife for physical harassment: লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে নানান হিংসার খবর উঠে আসতে শুরু করেছে। নানান বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে বলে অভিযোগ, এই নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতারা। আর এবার এল এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। বিজেপি কর্মীর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে (TMC allegedly threatened BJP worker wife for physical harassment)।
গতকাল, বৃহস্পতিবারই ভোট পরবর্তী হিংসায় ঘরছাড়া ২০০ জন বিজেপি কর্মীকে নিয়ে রাজভবন অভিযান করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও পুলিশের বাধার মুখে পড়েন তারা। তাদের যেতে দেওয়া হয় না রাজভবনের। রাজ্যপালের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি কর্মীরা দেখা করতে পারেন নি রাজ্যপালের সঙ্গে। তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল। আর এরই মধ্যে এল ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ (TMC allegedly threatened BJP worker wife for physical harassment)।
ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা ২ নম্বর ব্লকের অস্থিচকে। সেখানকার বাসিন্দা গোপাল পয়ড়া। তিনি বিজেপি কর্মী বলেই পরিচিত। গতকাল, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা নাগাদ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় তাঁর বাড়িতে। সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না গোপাল।
অভিযোগ, গোপালকে না পেয়ে তাঁর স্ত্রীকে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। তাঁকে মারধর করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এমনকি, বিজেপি কর্মী স্ত্রীকে ধর্ষণের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ (TMC allegedly threatened BJP worker wife for physical harassment)। এই খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ছুটে আসেন মহিলার স্বামী। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় তুমুল শোরগোল পড়েছে।
অভিযোগ, নির্বাচনের পর তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি সুজিত শীর নেতৃত্বে অস্থিচক এলাকায় বিজেপি কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। সেই কারণে গত ১১ জুন গোপাল পয়ড়া থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সেই কারণেই তাঁর বাড়িতে হামলা করা হয়েছে বলে দাবী গোপালের (TMC allegedly threatened BJP worker wife for physical harassment)।
এই হামলার ঘটনায় এগরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন গোপাল ও তাঁর স্ত্রী। তবে তৃণমূলের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে (TMC allegedly threatened BJP worker wife for physical harassment)। তৃণমূল বিধায়ক তরুণ মাইতির কথায়, এই অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তাঁর দাবী, তাদের দলের কোনও কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়।





