তমলুক পৌরসভার এক প্রভাবশালী কাউন্সিলরকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। তাঁর ভাড়া নেওয়া একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এমন কিছু জিনিস উদ্ধার হয়েছে, যা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করে। তবে ঠিক কী অভিযোগে এই গ্রেফতার, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।
ঘটনার সূত্রপাত কোলাঘাটে একটি রাজনৈতিক সভার দিন। সেদিনই ওই কাউন্সিলরের ভাড়া বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পাওয়া যায় স্কুল পড়ুয়াদের পোশাক ও শাড়ি। অন্য একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর ত্রিপল ও ধুতি। এইসব জিনিস সেখানে কীভাবে এল, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় নানা জল্পনা ছড়ায়। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, একজন কাউন্সিলরের ভাড়া বাড়িতে এমন জিনিসের উপস্থিতির কারণ কী হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল ও উদ্বেগ দুই-ই তৈরি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কাউন্সিলরের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! কী এমন শারীরিক সমস্যার জেরে এই আবেদন? শেষ পর্যন্ত আদালত কি বিদেশযাত্রার সবুজ সংকেত পাওয়া গেল, নাকি আটকে গেল সফর?
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই কাউন্সিলরের এলাকায় যথেষ্ট প্রভাব ছিল। বলা হয়, তমলুক অঞ্চলে অন্তত ১০ থেকে ১৫টি নার্সিংহোমের সঙ্গে তাঁর যোগ রয়েছে। এমনকি নার্সিংহোম অ্যাসোসিয়েশনের অলিখিত প্রধান হিসেবেও তাঁকে অনেকেই মনে করতেন। এলাকার নানা সাংগঠনিক সিদ্ধান্তেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে জানা যায়।

এছাড়াও, কিছুদিন আগে একটি মারধরের ঘটনায় তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও সেই ঘটনাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং তদন্ত চলার পরেই প্রকৃত কারণ সামনে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।






