আর জি কর কাণ্ডের (RG kar) মাঝেই তৃণমূল (TMC) নিজের শক্তি বৃদ্ধি করে ফেলল। হ্যাঁ আর জি কর নিয়ে যখন শাসকদলের প্রতি খুব উগড়ে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ থেকে চিকিৎসক মহল। মমতা শঙ্করের (Mamata Sankar) মতো মানুষ যখন প্রশাসনকে প্রশ্নে প্রশ্নে বিদ্ধ করছেন, ঠিক তখনই তৃণমূলে যোগ দিল ৫০টি পরিবার।
বাঁকুড়ার কোতুলপুরের তৃণমূলের ব্লক কার্যালয়ে বিজেপি, সিপিএম থেকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে ৫০টি পরিবার এমনটাই দাবী করেছেন তৃণমূল। তবে বিজেপি জানিয়েছে যে, যারা তাদের নীতি আদর্শে বিশ্বাস করেন, তারা কখনও দল বদল করতে পারেন না, দল তারাই বদল করেছে যারা স্বার্থের জন্য এসেছিল।
বিধানসভার ভোটে বাঁকুড়ার কোতুলপুর বিধানসভায় বিজেপি নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেছিল। এখানকার বিধায়ক হরকালি প্রতিহার তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী হলেও লোকসভা ভোটের আগে দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন এবং তারপর এই কোতলপুরে বিজেপির সাংগঠনিক ক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হয়ে যায়।
তবে এরপরেও সেখানকার বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রটি বিজেপি ধরে রাখে। তবে লোকসভা ভোটের পর সেখানে তৃণমূল প্রমোশ নিজস্ব শক্তি বাড়াচ্ছিল। সম্প্রতি যারা দল ত্যাগ করেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই বলছেন যে, বিজেপির স্থানীয় নেতারা খুবই খারাপ ব্যবহার করেন, মন্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ রয়েছে তাদের, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত।
কোতুলপুরের বিধায়ক হরকালী প্রতিহার এই প্রসঙ্গে জানান, “বিজেপি, সিপিএম থেকে প্রায় ৫০টি পরিবার শতাধিক কর্মী আমাদের তৃণমূলে যোগ দিল। সিপিএমের ১টা পরিবার, বিজেপির বাকিরা”।
তবে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি কেশবী নাগা এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, বিজেপির কেউ অন্য দলে যেতেই পারে না। কিছু ধান্দাবাজ লোক এ দল ও দল করে বেড়ায়। খারাপ ব্যবহারের প্রশ্নই নেই। বিজেপির নীতি ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়। মণ্ডল সভাপতি খারাপ ব্যবহার করলে তো বলতে পারত।





