গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের, আমডাঙার পর এবার তৃণমূল নেতাকে পিটিয়ে খু’ন গোসাবায়, অভিযোগ দলের একাংশের বিরুদ্ধেই

জয়নগর, আমডাঙার পর এবার গোসাবা। ফের খু’ন তৃণমূল নেতা। তৃণমূলের একাংশের বিরুদ্ধেই তৃণমূল বুথ সভাপতিকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে খু’ন করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এই মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

কী ঘটেছে ঘটনাটি?

ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুর পুলিশ জেলার সুন্দরবন উপকূলীয় থানার পূর্ব রাধানগর এলাকায়। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম মোছাকুলি মোল্লা। তিনি ওই এলাকার তৃণমূল বুথ সভাপতি ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, পূর্ব রাধানগর এলাকায় এক কিলোমিটার রাস্তা ঢালাইয়ের কাজ চলছিল। সেই রাস্তা তৈরিতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছিলেন মোছাকুলি মোল্লা। এই অভিযোগ নিয়ে অশান্তি বাঁধে রাস্তার ঠিকাদারদের কনট্রাক্টর বাকিবুর মোল্লার সঙ্গে। অশান্তি চরমে ওঠে।

অভিযোগ, তৃণমূল নেতাকে লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় গোসাবা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত বাকিবুর তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের থেকেই এই ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। মোছাকুলির দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

এই ঘটনায় নিহত তৃণমূল নেতার স্ত্রী ক্যামেরার সামনে বলেন, “বাকিবুলের ফাঁসি চাই। রউফ, সাজ্জুল ওরা সবাই মিলে আমার স্বামীকে মেরেছে। আসাদ আলির ছেলে বাকিবুর। ওই মেইন”।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে গোসাবার বিধায়ক সুব্রত মণ্ডল বলেন, “ওরা এক পাড়ায় থাকত। রাস্তার কাজ নিয়ে অশান্তি থেকে এই ঘটনা বলে শুনছি”। জেলা পরিষদের উপাধ্যক্ষ বলেন, “মোছাকুলিকে ভোটের আগে থেকেই টার্গেট করা হয়েছিল”। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

RELATED Articles