ভেটাগুড়ির বিভিন্ন এলাকায় ছিল জনসংযোগ যাত্রা। নির্বাচনের আগে জনসংযোগ বাড়াতে এই যাত্রা যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ। এরপরই ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন তিনি যা নিয়ে তৈরি হয়েছে অস্বস্তি। ফেসবুকে তিনি লেখেন, “আজ ভেটাগুড়ি ঘুরে সাধারণ মানুষের কাছে শুনলাম কীভাবে বিজেপি তাদের উপর অত্যাচার করছে। পুলিশ এই ব্যাপারে কী করছে? তাদের কাজ কী শুধু তৃণমূল নেতা পেটানো”? তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।
ভেটাগুড়ি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের গড় বলেই পরিচিত। এদিন, গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথে জনসংযোগ যাত্রা চলাকালীন তৃণমূল নেতৃত্ব দাবী করে যে, বিজেপি বেশ কিছু কর্মী-সমর্থক নাকি তৃণমূলে যোগ দিয়েছে। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন উদয়ন গুহ। এদিন বিদায়কের জনসংযোগে গোলমাল এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তাও ছিল।
এদিন উদয়ন গুহ অভিযোগ করেন, “অনেক বাড়িতে দেখলাম, কীভাবে সেখানে ভাঙচুর করা হয়েছে। বিজেপির নাম করে কিছু দুষ্কৃতী রীতিমতো জুলুম করছে সাধারণ মানুষের উপর। দিনহাটার পুলিশ কী করছে? পুলিশ কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাহস পাচ্ছে সমাজবিরোধীরা”। এদিন তিনি এও অভিযোগ করেন যে পুলিশ কী শুধু তৃণমূল নেতাই পেটাতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যে পুলিশ ও বিজেপির মধ্যেকার আঁতাত খানিকটা উস্কে গেল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
তবে এই অভিযোগ নাকোচ করা হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। বিজেপির কোচবিহার জেলা সম্পাদক সুদেব কর্মকারের পাল্টা অভিযোগ, “জনসংযোগের নামে শাসকদলের বিধায়ক ভেটাগুড়ির বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। এরকম করে কোনও লাভ হবে না”।
উল্লেখ্য, এর আগেও উদয়ন গুহ অভিযোগ এনেছিলেন ভেটাগুড়ির এক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রতন বর্মণের বিরুদ্ধে। তিনি দাবী করেছিলেন যে রতন বর্মণের নেতৃত্বে এলাকায় সন্ত্রাস শুরু হয়েছে। তখনই তিনি শান্তি ফেরানোর উদ্দেশ্যে জনসংযোগ যাত্রায় শামিল হওয়ার কথাও ঘোষণা করেন।





