সুশান্ত মৃত্যু অতীত! সাংবাদিকতা ছেড়ে করণ জোহরের ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থায় যোগ দিলেন খ্যাতনামা রাজীব মসান্দ

গতবছর যে অভিনেতার মৃত্যু কাঁপিয়ে দিয়ে গেছিল ভারতীয় বিনোদন থেকে রাজনৈতিক জগতকে সেই সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তে নাম জড়িয়েছিল খ্যাতনামা বিনোদন সাংবাদিক রাজীব মসান্দ-এর। প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে।

রাজীব মসান্দ নিজের ব্লাইন্ড আইটেমসের মাধ্যমে সুশান্তের চরিত্র হনন করবার চেষ্টা করেছেন বারবার, অভিযোগ করেছিলেন অভিনেতার ভক্তরা। সুশান্তের উপর লাগানো মিটুর অভিযোগ সহ, রাজীবের লেখা একাধিক ব্লাইন্ড আইটেমস ভাইরাল হয়ে যায় সুশান্তের মৃত্যুর পর। অপূর্ব আসরানি, কঙ্গনা রানাওয়াতরা নাম নিয়ে আক্রমণ শানান রাজীব মসান্দকে লক্ষ্য করে। কারুর নাম না নিলেও সুশান্তের এক সময়ের চর্চিত বান্ধবী কৃতী শ্যানন পর্যন্ত ইনস্টা পোস্টে লেখেন, অবিলম্বে সাংবাদিকদের লেখা ব্লাইন্ড আইটেমসে প্রতিবন্ধকতা লাগানো উচিত।

প্রসঙ্গত সুশান্ত মৃত্যু মামলায় নাম জানায় আরও এক খ্যাতনামা পরিচালকের। করণ জোহর। বলিউডে নেপোটিজম-এর জন্য বিখ্যাত এই সেলেব পরিচালকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ ওঠে প্ররোচনা দেওয়ার।

বলিউডের এই দুই বিতর্কিত চরিত্র‌ই এবার একসঙ্গে নতুন ব্যবসায়। করণ জোহরের ট্যালেন্ট মানেজমেন্ট সংস্থা ধর্মা কর্নারস্টোন এজেন্সি’র প্রধান পরিচালন আধিকারিকের পদ পেতে চলেছেন রাজীব মসান্দ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরেই বান্টি সচদেহ্’র সঙ্গে অংশীদারিতে এই ব্যবসায় নামেন। বলিউডে যশরাজ ফিল্মস এর পর ধর্মা’ই দ্বিতীয় প্রোডাকশন হাউজ যারা ট্যালেন্ট মানেজমেন্ট সংস্থা খুলল। আর এই সংস্থার‌ই প্রধান হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে রাজীব মাসান্দ’কে বলে সূত্রের খবর। আর এই দায়িত্ব কাঁধে ওঠার পরই সাংবাদিকতা থেকে দূরে সরেছেন রাজীব বলে জানা যাচ্ছে।

বিশ্বাসযোগ্য সূত্র মারফত খবর, “সাংবাদিক রাজীব মসান্দ আগামী সপ্তাহেই ডিসিএতে(ধর্মা কর্নারস্টোন এজেন্সি)তে যোগ দিতে প্রস্তুত।  তিনি সংস্থার সিওও হিসাবে কাজ করবেন।  করণ এবং ধর্মের অন্যান্য শীর্ষ কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে যে তিনি এই কাজের জন্য সঠিক ব্যক্তি হবেন এবং নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করতে এবং তাঁদের সঠিকভাবে ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালন করবেন l”

সুশান্ত মৃত্যু অতীত! সাংবাদিকতা ছেড়ে করণ জোহরের ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থায় যোগ দিলেন খ্যাতনামা রাজীব মসান্দ

প্রসঙ্গত রাজীব একাই নন যিনি  সিনেমা সম্পর্কিত ব্যবসায় নামার জন্য সাংবাদিকতাকে দূরে ঠেললেন। এর আগে বহু নামী সাংবাদিক‌ই সাংবাদিকতার পেশাকে গুডবাই বলে চলচ্চিত্র পরিচালন বা সেই সম্পর্কিত ব্যবসায় নেমেছেন।

RELATED Articles