মমতার বক্তব্য শুনতে এসেছেন নাকি শুধুই ডিমভাত খেতে? শুনেই হাসতে হাসতে তৃণমূল কর্মীরা যা বললেন…

আগামীকাল ২১শে জুলাই। রয়েছে তৃণমূলের শহিদ দিবস। এই দিনটি উপলক্ষ্যে প্রতি বছর ধর্মতলায় বড় সভা করে তৃণমূল। এবারও এর অন্যথা নয়। রাজ্যের নানান প্রান্ত থেকে ইতিমধ্যেই আসতে শুরু করেছেন তৃণমূল কর্মীরা। তাদের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে কসবার গীতাঞ্জলী স্টেডিয়াম, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র, আলিপুরের উত্তিরন-সহ একাধিক জায়গায়।

এই একুশে জুলাইয়ে খাওয়াদাওয়ার বেশ ভালো আয়োজন থাকলেও সবথেকে জনপ্রিয় হল ডিমভাত। সঙ্গে যদিও ভাত, ডাল, সয়াবিনের তরকারি থাকে। কিন্তু ডিমভাতের কাছে তাদের জুড়ি মেলা ভার। কোথাও দেওয়া হয় ডিমের ঝোল আবার কোথাও দেওয়া হচ্ছে সেদ্ধ ডিম। ২১ জুলাইয়ের এই ডিমভাত খাওয়ানো নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনিই নানান মিম দেখা যায়। অনেকেই মজা করে এই ২১শে জুলাইকে আবার ডিমভাত দিবসও বলে থাকে।

তবে প্রশ্নটা হল এই যে কাতারে কাতারে তৃণমূল কর্মীরা শহরে আসছেন এই ২১ জুলাই উপলক্ষ্যে, তারা কী আদৌ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনতেই আসেন নাকি শুধুমাত্র ডিমভাত খাওয়াই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। এমনই প্রশ্ন করা হয়েছিল পুরুলিয়া থেকে আসা তৃণমূল কর্মীদের একাংশের। তারা বুঝতেই পারছিলেন না যে আদৌ কী বলবেন। তাদের মধ্যে কেউ বললেন, “না না ২১ জুলাই মানেই ডিম ভাত খেতে আসা, এমনটা ঠিক নয়। আমরা দিদির ভক্ত। দিদির কথা শুনতে এসেছি”।

আলিপুরের উত্তীর্ণ অডিটোরিয়ামে এসেছেন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদের তৃণমূল কর্মীরা। তাদের দেখভালের দায়িত্ব পড়েছে এলাকার জনপ্রতিনিধি তথা বরো চেয়ারম্যান দেবলীনা বিশ্বাসের উপর।

এই তদারকি নিয়ে দেবলীনা বলেন, “পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ থেকে এখনও অবধি প্রায় ২ হাজার লোক এসেছেন। অনেকে এখনও রাস্তায় আছেন ৫ হাজার লোকের থাকার ব্যবস্থা আছে উত্তীর্ণয়। আমাদের খাবারের মেনুতে আছে ভাত, ডাল, সোয়াবিন, ডিম”। দেবলীনা এও জানান, ২৪ ঘণ্টা রান্নাঘর খোলা রয়েছে। যে যখনই আসুন না কেন, খাবার, জল ঠিকই পাবেন তারা। বায়ো টয়লেট রয়েছে। রয়েছে মেডিক্যাল ক্যাম্পও।

আরও অন্যান্য খবর