বাংলা জেতার জোর টক্কর চলছে শাসক ও প্রধান বিরোধী শিবিরের মধ্যে। হাতে যে আর মাত্র ৬ মাস বাকি! তাই হিংসাত্মক হোক বা ধ্বংসাত্মক সব রকমের রাজনীতিই এবার দেখা যাবে বাংলার ভোটের মাঠে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বঙ্গ বিজয়। আর তা জয়ের লক্ষ্যে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি।
দেশের একক বৃহত্তম দলের কাছে বাংলা বড্ড শক্ত গাঁট! আর তা টপকাতেই সব রকমের চেষ্টা করছে বঙ্গ থেকে শীর্ষ বিজেপি! আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে বিজেপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতামন্ত্রীর বঙ্গ সফরে আসার কথা রয়েছে।
বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, আসন্ন ডিসেম্বরের শুরুতেই দু’দিনের জন্য বাংলা সফরে আসতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আগামী ৮ ও ৯ই ডিসেম্বর রাজ্যে আসার কথা রয়েছে এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের। জেলাতে সাংগঠনিক বৈঠক করার পাশাপাশি কলকাতায় সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতির সভা করারও কথা রয়েছে।
যদিও তাঁর সফরসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে ২০২১ এর বড় পরীক্ষার আগে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতামন্ত্রীরা যে মাঝেমধ্যেই বঙ্গ সফরে আসবেন সে বিষয়টি জলের মতো পরিষ্কার তা বলা যেতেই পারে।
প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, চলতি মাসের অর্থাৎ নভেম্বরেই রাজ্যে আসার কথা ছিল জেপি নাড্ডার। তাঁর নেতৃত্বে উত্তরকন্যা অভিযানের কথাও শোনা গিয়েছিল। তবে হঠাৎই সেই সফর বাতিল হয়। তাঁর পরিবর্তে রাজ্যে দু’দিনের সফরে আসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
বাংলার বিজেপি নেতৃত্বের সংগঠন মজবুত করার লক্ষ্যে, দু’দিনের সফরে বাঁকুড়াতে যান তিনি। সেখানে বিরসা মুন্ডার মূর্তিতে মাল্যদান করেন তিনি। এক আদিবাসী পরিবারে সারেন মধ্যাহ্নভোজ। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে ২০০টি আসনের টার্গেটও বেঁধে দেন তিনি। এরপর কলকাতায় এসে পুজো দেন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে, মতুয়া সম্প্রদায় ভুক্ত ব্যক্তির বাড়িতে স্যারের মধ্যাহ্নভোজ।
অমিত শাহের রাজ্য সফর নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল বঙ্গ রাজনীতি। জন্ম দিয়েছিল অনেক বিতর্কের। অমিত শাহ্ বাঁকুড়া ঘুরে যাওয়ার পরই সম্প্রতি আদিবাসী আবেগ উসকে দিতে বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে রাজ্যে ছুটি ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আদিবাসী বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজকে ‘নাটক’ বলেও কটাক্ষ করেছেন। যদিও তার পালটা জবাবও দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।





