বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে বাবা লোকনাথের মাহাত্ম্য সকলের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে। ভক্তদের মতে বাবাই সকল দুঃখ কষ্ট থেকে মুক্তির উপায় বলে দেন। মনে করা হয় নীলকন্ঠ শিবের মতোই বাবা লোকনাথ ভক্তের ডাকে সাড়া দেন। ভক্তের পুজোয় প্রসন্ন হলে মনস্কামনা পূর্ণ করেন।
বাবা লোকনাথ সকল ভক্তকে নিজের সন্তানের মত করেই ভালোবাসেন।তাই বিপদের মুহূর্তে সকলেই বাবার শরণাপন্ন হন। বাবা তাকে সাহায্য করেন।
লোকনাথ বাবার অন্যতম জনপ্রিয় বাণী আজও সকলকে অভয় দেন। তিনি বলতেন রনে বনে জলে জঙ্গলে যেখানেই বিপদে পড়িবে, আমাকে স্মরণ করিও আমি তোমাকে রক্ষা করিব’। তাই সকলেই তার বিপদের সময় বাবার নাম জপ করেন। বাবাও সর্বদা ভক্তদের সাহায্য করেন।
ভক্তিভরে নিষ্ঠা সহকারে পূজা করলে বাবা লোকনাথের আশীর্বাদ পাওয়া যায়। তবে বাবা লোকনাথের পূজার জন্য নির্দিষ্ট কিছু আয়োজন প্রয়োজন।প্রসন্ন করা যায় এবং তাঁর আশীর্বাদ লাভ করা যায়। নীল শাপলা বা নীল শালুক ফুল, যে কোনও সাদা ফুল ও বেলপাতা দিয়ে বাবা লোকনাথের পূজা করলে তবেই তিনি প্রসন্ন হন।সাথে তালশাঁস ও কালোজাম ও নিবেদন করতে হয়।
বাবা লোকনাথের পছন্দের মধ্যে কোনো সাদা মিষ্টির ভোগ দেওয়া হয়।মিশ্রী বা তাল মিশ্রীও দেওয়া যায়।
পূজার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হয়।মহাদেবের পূজো দিয়ে বাবা লোকনাথের পূজার সূচনা করতে হবে।কথিত আছে, ভোলানাথ আশির্বাদ করলে তবেই বাবা লোকনাথের আশির্বাদ পাওয়া সম্ভব।
পাশাপাশি কোষ্ঠিতে বিষ যোগ, দারিদ্র যোগ বা কেন্দ্রদ্রুম যোগ থাকলে অবশ্যই লোকনাথ বাবার পূজা করা উচিত।
জয় বাবা লোকনাথ
জয় ব্রহ্ম লোকনাথ
জয় শিব লোকনাথ
জয় গুরু লোকনাথ —
অমোঘ এই মন্ত্র পাঠ করলে বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।






