তারা যে শুধুমাত্রই কাগুজে বাঘ তা ফের একবার প্রমাণ করল বাংলাদেশের ‘টাইগাররা’। প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে বেশ কসরত করে হারালেও কঠিন প্রতিপক্ষ সামনে আসতেই ল্যাজেগোবরে অবস্থা বাংলাদেশের। দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে টিকতেই পারল না তারা। একেবারে গোহারান হারল বাংলাদেশ।
টি ২০ বিশ্বকাপে এমনিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে কখনও হারাতে পারেনি বাংলার টাইগাররা। আর তাদের সাম্প্রতিক যা ফর্ম হয়েছে, তাতে অতি বড় ভক্তও বলবে না যে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানোর মতো ক্ষমতা রাখে বাংলাদেশ। কিন্তু তবুও ম্যাচ শুরুর আগে শাকিব দাবী করেছিলেন যে ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার উপরেই চাপ বেশি থাকবে। কিন্তু খেলা চলাকালীন দেখা মিলল অন্য ছবির।
এদিন সিডনিতে বৃষ্টিবিগ্নিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন প্রোটিয়া অধিনায়ক বাভুমা। শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। বাভুমা নিজে মাত্র ২ রানে আউট হয় প্যাভিলিয়নে ফেরেন প্রথম ওভারেই। কিন্তু তারপরই শুরু হয় ডি’কক এবং রিলে রুসোর সংহার। বাংলাদেশ বোলারদের কার্যত তুড়ি মেরে বাউন্ডারির বাইরে ফেলা শুরু করেন দুই বাঁহাতি ব্যাটার।
এদিনের ম্যাচে ডি’কক মাত্র ৩৮ বলে করেন ৬৩ রান। আর রুসো ৫৬ বলে অনবদ্য ১০৯ রানের ইনিংস খেলেন। চলতি বিশ্বকাপে এটিই প্রথম শতরান। দুই ব্যাটারের দাপটে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০৫ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষদিকে খানিকটা রান গতি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হন মুস্তাফিজুর রহমান, মোসাদ্দেক হোসেনরা। নাহলে আরও বেশি রান করতে পারত দক্ষিণ আফ্রিকা।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সৌম্য সরকার বেশ ভালোই ব্যাটিং করছিলেন। নিজের খেলা প্রথম দুটি বলে ছক্কা হাঁকান তিনি। কিন্তু নখিয়া বল করতে নামার পরই যেন চিত্রটা একেবারেই বদলে গেল। একে একে সৌম্য, শাকিব, শান্ত সকলেই হার স্বীকার করে নিলেন। লিটন দাস কিছুটা মাঠে টিকে থাকলেও শেষরক্ষা করতে পারেন নি। বিরাট ব্যবধানে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে গোহারান হারল প্রতিবেশী দেশ।





