করোনার জন্য যখন বিশ্বজুড়ে একের পর এক খেলা বাতিলের খাতায় উঠেছে তখন সুযোগের সদ ব্যবহার করল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। ইস্টবেঙ্গল এ মরসুমে আই-লিগে খেলবে নাকি আইএসএলে সেটা সময় বলবে কিন্তু তারা যে একটি উন্নতমানের দল তৈরী করতে চলেছে বহুদিন বাদে সেটা বলাই যায়। কিছুদিন ধরেই নতুন নতুন খেলোয়াড়দের গায়ে উঠছে লাল-হলুদ জার্সি। নতুন প্রতিভাবান ফুটবলারদের নিজেদের দলে টেনে নিচ্ছে লাল-হলুদ দল। এবার আরও তিন সংযোজন হতে চলেছে লাল-হলুদ দলে যারা সবাই পূর্বে লাল-হলুদ জার্সি গায়ে খেলে গেছেন। ইস্টবেঙ্গলে ফিরলেন কেভিন লোবো (Cavin Lobo), বিকাশ জাইরু (Bikash Jairu) এবং সেহনাজ সিং (Sehnaj Sing)।
গোয়ানিজ এই মিডফিল্ডার লোবো একসময় ইস্টবেঙ্গলের ঘরের ছেলেই ছিলেন। কিন্তু দু’মরশুম আগে লাল-হলুদ ছেড়ে আইএসএলে এটিকে’র সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন লোবো। গত মরশুমে আইএসএল থেকে লোনে সই করেছিলেন আই লিগের ক্লাব পাঞ্জাব এফসি’তে। সেখান থেকে আগামী মরশুমে ফের পুরনো ক্লাবে ফিরলেন দেশের জার্সি গায়ে ৮টি ম্যাচ খেলা ৩২ বছরের এই মিডফিল্ডার। লোনে চার্চিল ব্রাদার্স-এর হয়ে খেলেন ২০১৮-১৯ মরসুমে। এরপর তিনি পাঞ্জাবের হয়ে খেলেন ২০১৯-এ। এইবার তিনি ফিরতে চলেছেন তাঁর পুরনো ক্লাবে।
ওপর একজন প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার বিকাশ জাইরুও এবার আবার তার পুরোনো ক্লাবে ফিরছেন। সিকিমের এই ২৯ বছরের লেফট উইঙ্গার ২০১৫-১৭ মরসুমে টানা ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছেন। এছাড়া এই সময় আইএসএলেও ২০১৫ তে পুনে সিটির হয়ে এবং ২০১৬ তে এটিকের হয়ে খেলেছেন। এরপর জাইরু ২০১৭-২০ জামসেদপুর এফসির জন্য খেলেন এবং তাঁর অসাধারণ প্রতিভার প্রদর্শন করেন। এবার তিনি তাঁর দক্ষতা ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দর্শকদের সামনে তুলে ধরবেন।
এই তালিকার শেষজন হলেন সেহনাজ সিং। এবার এটিকের ডিফেন্স মিডফিল্ডারকে নিজের দলে সামিল করল ইস্টবেঙ্গল। ২০১৬ সালে ইস্টবেঙ্গল-এর হয়ে খেলেছিলেন এই ফুটবলার কিন্তু পরের মরসুমে ২০১৭ তে মোহনবাগানের সাথে লোনে চুক্তিবদ্ধ হন এই ফুটবলার। ২০১৬-১৯ মুম্বাই সিটির হয়ে আইএসএলে খেলেন পাঞ্জাবের এই ২৬ বছর বয়সী ফুটবলার। গত মরশুমে এটিকে’র হয়ে ৮টি ম্যাচ খেলা পাঞ্জাবের মিডফিল্ডার শেহনাজ সিং চার মরশুমে পর ফিরছেন তাঁর পুরনো ক্লাবে।
এই তিনজনেই সামনের মরসুমের জন্য ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে সই করলেন। এই তিনজনের অন্তর্ভুক্তি যে লাল-হলুদের মাঝমাঠ কে শক্তিশালী করবে সেটা বলাই বাহুল্য।






