আগামী রবিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দেশেজুড়ে জনতা কারফিউ-এর ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে এরসঙ্গে জরুরি পরিষেবায় যুক্ত কর্মীদের জন্য রবিবার বিকেলে পাঁচটায় হাততালি, থালা, কাঁসর বাজাতেও অনুরোধ করেছেন তিনি। কিন্তু এভাবে কী করোনা প্রতিরোধ সম্ভব? প্রশ্ন উঠেছে।
পাশাপাশি এখনও কেন কলকাতায় আন্তর্জাতিক বিমান নামার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ‘অভিযোগ’ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সকালে নবান্নে অনুষ্ঠিত এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস রুখতে যে কিট প্রয়োজন, তার জন্য কেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় রাজ্যগুলিকে। কেন্দ্রই তা দিতে পারে। কিন্তু বারবার জানানো সত্ত্বেও তা পাওয়া যাচ্ছে না’, বলে অভিযোগের করেন তিনি।
তারপরে, শুক্রবার বিকেলে মোদীর সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সে কথা হয় মমতার। সেখানেই মমতা সাহায্য চান বলে জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘প্রধানমন্ত্রী সমস্ত নোট নিয়েছেন। কিন্তু কোনও আশ্বাস দেননি। রাজ্যের পরিস্থিতি জানিয়েছি। কিন্তু আমাদের এখানে যে অনেককিছুই যথাযথ পরিমানে নেই, সেই বিষয়ে জানিয়েও কোনও আশ্বাস পাইনি।’ এদিকে দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী মানুষদের আগামী ছয় মাস রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।





