কাদা মেখে স্কুলে ঢুকতেন মহারাজ, দাদাগিরির মঞ্চে খুদে স্কুল পড়ুয়াদের সঙ্গে ছোটোবেলার স্মৃতি হাতড়ালেন সৌরভ

জি বাংলার একটি অন্যতম জনপ্রিয় শো দাদাগিরি। এবারের সেই ‘দাদাগিরি’ ১০ বছর পূর্ণ করল। সঞ্চালক হিসেবে দীর্ঘ বছর ধরেই প্রশংসিত সৌরভ। মজার মজার এপিসোড নিয়ে আসে দাদাগিরি। বহু জায়গার লোক আসে, তাদের জ্ঞানের ভান্ডার উজাড় করে দেয়। দাদাগিরি ১০ শো-টি জি বাংলায় প্রতি শনি এবং রবিবার সম্প্রচারিত হয়। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সঞ্চালিত এই শো রাত সাড়ে নয়টা থেকে দেখা যায়।

সম্প্রতি, দাদাগিরি ১০-এ স্কুল পড়ুয়ারা খেলতে এসেছিল। দাদার মঞ্চে তারা তাদের স্কুল এবং জেলার প্রতিনিধিত্ব করেছে। দাদাগিরির পর্বে এসেছিল হুগলির শ্রী চৈতন্য টেকনো স্কুল, বোলপুরের সেন্ট টেরেসা স্কুল, কাঁথির কাঁথি পাবলিক স্কুল, কলকাতার গভর্নমেন্ট স্পন্সরড মাল্টিপারপাস স্কুল টাকি হাউজ, বারাসাতের নারায়ন স্কুল এবং নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুল।

তাদের সঙ্গে গল্প করতে করতে সৌরভ তাঁর নিজের ছোটবেলা এবং স্কুল লাইফের কথা সবার সাথে শেয়ার করে নেন। সৌরভ জানান, তিনি ছোটবেলায় ক্রিকেট নয় বরং ফুটবল খেলতেন, তাও দুবেলা। “আমার স্কুল শুরু হতো সাড়ে নয়টায়। আমি সেন্ট জেভিয়ার্সে পড়তাম। স্কুলের আগে ফুটবল, পরে ফুটবল। স্কুলে ঢুকতাম কাদা মেখে”।

তিনি এদিন আরও বলেন, “আমাদের স্কুল তো বিশাল বড় স্কুল। ক্লাসে ঢোকার আগে জামা কাপড় খুলে আগে স্নান করে নিতাম। দিয়ে ওই একই ময়লা জামা পরে ক্লাসে যেতাম। টিচার তো ভীষণ রেগে যেত ময়লা জামা, ইস্তিরি না করা দেখে। আর রোজ আমায় ক্লাস থেকে বের করে দিত”।

শাস্তি পেলেও খারাপ লাগত না সৌরভের। এনিয়ে সৌরভ বলেন, “বেশিরভাগ দিন বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখত। কিন্তু মন্দ লাগত না, অঙ্ক ক্লাস করতে হতো না যে। বাইরে কে যাচ্ছে আসছে, স্কুলে কোথায় কী হচ্ছে দেখতাম। ওই অঙ্ক করতে হত না”।

RELATED Articles