‘কী স্ট্যান্ডার্ডের ভাবেন আমাকে’, নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করতেই মহিলা সাংবাদিকের সঙ্গে অভব্য আচরণ কল্যাণের, আঙুল উঁচিয়ে তেড়ে এলেন তৃণমূল প্রার্থী

সামনেই লোকসভা নির্বাচন। সমস্ত রাজনৈতিক দলের তরফেই ঘোষণা করা হয়েছে প্রার্থীদের নাম। যদিও এখনও বিজেপি ও বামেদের কিছু প্রার্থী ঘোষণা বাকি। তবে তৃণমূলের তরফে ৪২টি আসনে প্রার্থী অনেক আগেই ঘোষণা করা হয়েছে। ভোট প্রচারেও বেরচ্ছেন প্রার্থীরা। পড়তে হচ্ছে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখেও। এবার এক মহিলা সাংবাদিকের সঙ্গে অভব্য আচরণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) বিরুদ্ধে।

ভোটের প্রচারের ক্ষেত্রে হোক বা নিজের কোনও কথা জনগণকে পৌঁছে দেওয়ার জন্যই হোক, রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা যে সংবাদমাধ্যমের উপর নির্ভরশীল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাদের নানান খবর সকলের কাছে তুলে ধরাই সংবাদমাধ্যমের কাজ তা সে নেতিবাচক হোক বা ইতিবাচক। এবার সেই সংবাদমাধ্যমের উপরেই মেজাজ হারালেন তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) তাও আবার ভোটের মুখে।  

কী ঘটেছে ঘটনাটি?

ভোটের প্রাক্কালেই ভাইরাল হয়েছে তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে, এক মহিলা সাংবাদিকের উপর বেজায় চটেছেন তিনি। মহিলা সাংবাদিক বলেন, তাঁকে নির্বাচন বিষয়ে কিছু প্রশ্ন করবেন তিনি। আর তাতেই বেশ ক্ষেপে যান তৃণমূল নেতা। আঙুল উঁচিয়ে তেড়েও আসেন তিনি।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Kalyan Banerjee) বলতে শোনা যায়, “আমি তখন থেকে বসে ছিলাম আর আপনারা এখন আসছেন। আমি মিটিং করব না প্রেসকে সময় দেব। তাহলে মিটিং ক্যান্সেল করে প্রেসকেই সময় দিই। আমি ভাবেনটা কী বলুন তো, আমাকে কী স্ট্যান্ডার্ডের ভাবে আপনি”। আর এরপরই ওই মহিলা সাংবাদিকের দিকে আঙুল উঁচিয়ে তেড়ে যান তিনি।

দেখুন সেই ভিডিওঃ 

এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ধিক্কার জানিয়েছেন নেটিজেনরাও। তাদের কথায়, সাংবাদিক বা সংবাদমাধ্যম ছাড়া রাজনৈতিক নেতাদের চলে না। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভকে রাজনীতির মানুষদের প্রয়োজন। আর তাদের সঙ্গেই শাসক দলের নেতানেত্রীরা বারবার এমন অভব্য আচরণ করেন যা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।     

এই ঘটনার প্রতিবাদ করে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য টুইট করেছেন, “তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র বাংলায় সাংবাদিকদের গালাগালি করার পরে, এখন কল্যাণ ব্যানার্জির (Kalyan Banerjee) পালা। নোংরা মুখের এই সাংসদ উপরাষ্ট্রপতিকে উপহাস করেছিলেন। এবার কর্মরত সাংবাদিকদের প্রতি অশ্লীলতা ছুঁড়ে দিলেন কল্যাণবাবু। পশ্চিমবঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মরীচিকা। তৃণমূলের কারও প্রতি শ্রদ্ধা নেই”।

RELATED Articles