সম্প্রতি বেশ কিছু সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে, প্রখ্যাত অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের অসুস্থতার খবর। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তাঁর অসংখ্য ভক্ত ও অনুরাগী। সংবাদমাধ্যমেও এই খবর প্রচারিত হয়, যা পড়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়ে যান তাঁর সঙ্গীরা ও পরিবার। তবে, পরবর্তীতে জানা যায় যে এই সব খবর সম্পূর্ণ মিথ্যে। সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় নিজেও সুস্থ আছেন এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।
এদিন, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের সহকারী জানিয়ে দিয়েছেন যে, সকাল থেকে বহু ফোন কল আসছে এবং তাঁরা অবাক হচ্ছেন এই ভুয়া খবরের ব্যাপারে। তিনি বলেন, “কোনো কারণে এই সমস্ত গুজব ছড়ানো হচ্ছে। একজন সুস্থ মানুষকে অসুস্থ বলার কী প্রয়োজন ছিল? উনি সুস্থ আছেন, এবং সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই যে উনি ভালো আছেন।” বিশেষভাবে তাঁর সহকারী আরও জানিয়েছেন যে, তিনি এখনও ভালো রয়েছেন এবং সকলকে তাঁর অবস্থা নিয়ে চিন্তা না করার জন্য অনুরোধ করেছেন।
বাংলা সিনেমার এক সময়ের উজ্জ্বল নক্ষত্র সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় ৯০ বছরের কাছাকাছি বয়স হলেও এখনও নিজেকে সুস্থ ও সক্রিয় রেখেছেন। তিনি এক সময়ের সুপারস্টার, যাঁর অভিনয় বাংলা সিনেমাকে আলোকিত করেছে। এখনো বিভিন্ন মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তিনি উপস্থিত থাকেন এবং তাঁর ভক্তদের মুগ্ধ করেন। কিছুদিন আগেও স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘চিরসখা’-তে দেখা গিয়েছিল তাঁকে, যেখানে তিনি নিজের চরিত্রের মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করেন।
এমনকি, গত কয়েক বছর আগে যখন তিনি কিছুদিন অসুস্থ ছিলেন, তখন অনেকের মনে হয়েছিল যে তিনি হয়তো আর বড় পর্দায় ফিরবেন না। তবে, সুস্থ হয়ে উঠেই তিনি আবারও অভিনয়ে ফিরেছিলেন এবং তা ভক্তদের জন্য এক বড় সুখবর ছিল। এই যে তারুণ্যের মতো তিনি আবারও কাজে ফিরেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি এখন পূর্ণ সুস্থতা লাভ করেছেন এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এখন আর কোনো চিন্তার কারণ নেই।
আরও পড়ুনঃ ২৭ লক্ষ নাম বাদ পড়ার অভিযোগ, ট্রাইবুনাল তালিকায় মাত্র ১৩৬! ভোটের মুখে অনিশ্চয়তায় ভোটাররা, হাইকোর্টের শুনানিতে কি মিলবে বড় সমাধান?
সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের দীর্ঘ জীবনের গৌরবময় পথচলা সকলের কাছে এক অনুপ্রেরণা। তাঁর অভিনয়ের দক্ষতা ও অনবদ্য শৈলী আজও বাংলা সিনেমায় অমর হয়ে রয়েছে। তবে, এই ধরনের ভুয়া খবর তাকে এবং তার পরিবারকে ক্ষুব্ধ করেছে। সবাইকে সাবধান করে দেওয়া হয়েছে যে, ভবিষ্যতে এরকম অসত্য খবর রটানোর চেষ্টা না করা হয়।





