এই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০৬। দুই বিদেশি নাগরিক-সহ মৃত্যু হয়েছে মোট ১১ জনের। আজকে নতুন করে ৭০ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। অবস্থা ক্রমশ শোচনীয় হচ্ছে ভারতে। ২৫শে মার্চ থেকে আগামী ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন থাকবে গোটা দেশ। জরুরি পরিষেবা ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বাদ রেখে কার্যত কার্ফুর চেহারা নিয়েছে দেশ।
এমতাবস্থায় কঠিন বিপদে পড়েছেন দৈনিক শ্রমিকরা। চারিদিকে কাজ বন্ধ, তাঁরা কাজ কোথাও পাচ্ছেন না। ঘরে রেশন নেই, কীভাবে পরিবার চালাবেন এই ২১ দিন ভেবেই তাঁদের মাথায় হাত পড়েছে। তাঁদের সমস্যা সুরাহা করতে এগিয়ে এল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় শ্রম দফতরের নতুন নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তাদের শ্রম দফতরের মাধ্যমে যে শুল্ক আদায় করেছে, তা থেকে হিসাব করে পরিমাণমত অর্থ সরাসরি ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের মাধ্যমে এই দৈনিক শ্রমিকদের দিতে হবে। কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রী সন্তোষ কুমার গাঙ্গোয়ার আজ ‘বিল্ডিং এবং অন্যান্য নির্মাণ কাজ আইন, ১৯৯৬’ অনুযায়ী ৬০ নং ধারায় এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। যত দ্রুত সম্ভব যাতে রাজ্যগুলো এই টাকা ট্রান্সফার করে তারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে লাভবান হবেন গোটা দেশের প্রায় সাড়ে তিনকোটি দৈনিক শ্রমিক। কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা দেশ মিলে এই আদায়কৃত শুল্কের পরিমাণ প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা। এই টাকাই সাড়ে তিন কোটি শ্রমিকদের মধ্যে সমহারে বন্টিত হবে। কিন্তু সব শ্রমিক এই টাকা পাবেন না, যে সাড়ে তিন কোটি শ্রমিক ‘কনস্ট্রাকশন ওয়েলফেয়ার বোর্ড’-এ নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন শুধুমাত্র তাঁরাই এই সুবিধা ভোগ করবেন বলে জানা গিয়েছে।





