ব্রিটিশ রাজপরিবার থেকে ২৫শে মার্চ খবর আসে প্রিন্স চার্লসের দেহে করোনার মারণ ভাইরাস পাওয়া গেছে। আজ আয়ুষমন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক দাবি করেন বেঙ্গালুরুর এক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক প্রিন্স চার্লসকে সুস্থ করে তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথি ওষুধে করোনা ভাইরাস সেরে যায়।
২৫ শে মার্চ থেকে প্রিন্স চার্লস আইসোলেশনে থাকতে শুরু করেন। আজ নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আয়ুষ মন্ত্রী বলেন, ‘বেঙ্গালুরুর এক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক আমাকে ফোন করে জানান, প্রিন্স চার্লস সুস্থ হয়ে গেছেন এবং তিনি তাঁকে সুস্থ করেছেন। আয়ুর্বেদ ও হোমিওপ্যাথি ওষুধ নাকি মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল প্রিন্স চার্লসকে। আর তার ফলস্বরূপ তিনি ভালো হয়ে যান। আয়ুর্বেদ ও হোমিওপ্যাথি ওষুধ কীভাবে করোনা ভাইরাসের মতো রোগ সারিয়ে দেয়, এটা তারই একটি উদাহরণ।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা বলছি না বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষা করার আগেই করোনা আক্রান্তদের এই ওষুধ দেওয়া হোক। কিন্তু বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখতেই পারেন। এই ওষুধের কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। অনেকেই সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচার জন্য হোমিওপ্যাথি ওষুধ ব্যবহার করেন। এক্ষেত্রেও তার প্রয়োগ করে দেখা যেতে পারে।’
এই খবরের সত্যতা নিয়ে অনেকেই দ্বন্দ্বে আছেন। কিছুদিন আগে বেলেঘাটা আইডির সামনে একজন করোনার অসুধ বিক্রি করায় মানুষের মধ্যে হুলস্থূল পরে গেছিলো। তারপর এই খবর। এর মাঝে আরো একটা খবর কানে আসছে যেখানে কেউ কেউ বলছেন ওনার রোগের উপস্বর্গগুলি বেশি ছিল না তাই আইসোলেশনে থাকার ফলেই তিনি সেরে উঠেছেন।
আবার অন্যসূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে, প্রিন্স অফ ওয়েলস ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) চিকিৎসার পরামর্শ অনুসরণ করেছিলেন এবং তাতেই তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
তবে কোন তথ্যটি ঠিক ও কোনটি ভুল তা এখনও জানা যায় নি।






