আগে সাজের প্রশংসা করতেন কাঞ্চন, এখন সেই দায়িত্ব মেয়ের! দুই সন্তানকে নিয়ে পুজোর কী পরিকল্পনা শ্রীময়ীর?

পুজো মানেই নতুন জামা, ঠাকুর দেখা, জমিয়ে খাওয়াদাওয়া আর প্রিয়জনদের সঙ্গে একরাশ আনন্দ। তারকাদের জীবনেও এই কয়েকটা দিন কাজের ব্যস্ততার বাইরে পরিবারকে সময় দেওয়ার বিশেষ সুযোগ। তবে এ বছরের দুর্গাপুজো কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজের কাছে একটু অন্যরকম। গত বছর তাঁদের সঙ্গে ছিল মেয়ে কৃষভি, এ বার পরিবারে এসেছে নতুন সদস্যও। দুই সন্তানকে ঘিরে তাই উৎসবের আনন্দ যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে দায়িত্ব। কিন্তু একরত্তি ছেলেকে নিয়ে কি এ বার প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরবেন তাঁরা? নাকি ছোট্ট সদস্যের কথা ভেবে বদলাতে হবে পুজোর পরিকল্পনা?

কাঞ্চন ও শ্রীময়ী জানিয়েছেন, তাঁদের ছেলে কৃষিভের বয়স এখনও মাত্র দু’মাস। তাই তাকে নিয়ে বাইরে বেরোনোর পরিকল্পনা আপাতত নেই। তবে মেয়ে কৃষভির ঠাকুর দেখার খুব শখ। গত বছর তাকে কাঁধে চাপিয়ে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরেছিলেন কাঞ্চন। এ বারও মেয়েকে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করবেন তাঁরা। শ্রীময়ীর দেশের বাড়ির দুর্গাপুজোও তাঁদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের। সেখানে পরিবারের সকলে মিলে ভোগ রান্না করেন, হয় মিউজ়িক্যাল চেয়ার খেলা, সিঁদুর খেলা এবং বিসর্জনের সময়ে নাচ। গত বছর মেয়েকে নিয়ে সেই পুজোয় গিয়েছিলেন শ্রীময়ী। এ বারও এক দিন সেখানে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

ছোটবেলার পুজোর স্মৃতিও ভাগ করে নিয়েছেন কাঞ্চন। মায়ের হাত ধরে দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন মণ্ডপে ঘুরে বেড়ানো, আত্মীয়দের কাছ থেকে নতুন জামা পাওয়ার অপেক্ষা, আর মোগলাই পরোটা দিয়ে কষা মাংস খাওয়ার স্মৃতি আজও তাঁর মনে উজ্জ্বল। পরে পাড়ার পুজোর সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করেও আনন্দ পেতেন তিনি। অন্যদিকে, শ্রীময়ীর ছোটবেলার পুজো ছিল কিছুটা নিয়মের মধ্যে বাঁধা। সারা রাত ঠাকুর দেখার সুযোগ খুব বেশি পেতেন না। বাবার সঙ্গে এক দিন রাত জেগে ঘুরতে যেতেন। মেলায় নাগরদোলায় চড়াও ছিল তাঁর পছন্দের তালিকায়। মজার ছলে কাঞ্চন জানিয়েছেন, নাগরদোলা তাঁর কাছে বরাবরই ভয়ের বিষয়!

আরও পড়ুনঃ আগামী বছর পুজোয় কি একই ছবিতে দেব-জিৎ? ‘দেশু ৭’-এর প্রথম শো শেষেই বড় ঘোষণা, কী শর্ত রাখলেন দেব?

পুজোর সাজ নিয়েও মুখ খুলেছেন শ্রীময়ী। দশমীর সিঁদুর খেলা তাঁর ভীষণ প্রিয়। বিয়ের পর এই রীতির প্রতি টান আরও বেড়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। শ্রীময়ীর মতে, শাঁখা-পলা আর সিঁদুরই নারীর শ্রেষ্ঠ অলঙ্কার। মজার বিষয়, আগে তাঁর সাজের প্রশংসা করতেন কাঞ্চন, এখন সেই প্রশংসা আসে মেয়ে কৃষভির কাছ থেকে। খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রেও কোনও আপস করতে চান না শ্রীময়ী। চতুর্থী থেকেই রেস্তরাঁয় খাওয়ার পরিকল্পনা, তালিকায় থাকবে পোলাও-মটন। শুধু অষ্টমীতে নিরামিষ খিচুড়ি ভোগ ও লাবড়া চাই-ই চাই। আর কাঞ্চনের কাছে দশমী মানেই মন খারাপ, কারণ পুজোর জন্য তিনি সারা বছর অপেক্ষা করেন। উৎসব শেষ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় পরের বছরের পুজোর দিন গোনার পালা।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর