‘CESC না জানিয়েই দাম বাড়িয়েছে, আমরা এক পয়সাও বাড়াই নি’, বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধি নিয়ে সাফাই মমতার

Mamata Banerjee claimed CESC Increased Their Tariff without Informing: বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধি নিয়ে আমজনতার মনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। অসন্তোষ রয়েছে তাদের মধ্যে। এবার এই নিয়ে সাফাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, CESC নাকি না জানিয়েই দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি (Mamata Banerjee claimed CESC Increased Their Tariff without Informing)

গতকাল, সোমবার উত্তরবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে নবান্নে সাঙ্গাব্দিক বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকেই বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধি নিয়ে প্রসঙ্গ ওঠে। সেই সময় এই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে তিনি বলেন, “এই সুযোগ শুনলাম সিইএসসি ক’পয়সা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আমাদেরকে কিছু জানায়নি। বিদ্যুৎ দফতরকেও জানায়নি। তবে তিনি বলেন, আমাদের WBSEDCL এক পয়সাও দাম বাড়ায়নি” (Mamata Banerjee claimed CESC Increased Their Tariff without Informing)

বৃষ্টির সময় নানান কারণেই বিদ্যুতের শক লাগার ভয় থাকেই। এই ঘটনায় এর আগেও রাজ্যে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এদিনের এই বৈঠকে এই বিষয়ে সতর্ক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্ষায় জল জমলে কিছুক্ষণ বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখার পরামর্শ দেন তিনি। বিদ্যুতের ছেঁড়া তার, খোলা মিটার বক্স নিয়েও সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী এদিনের বৈঠকে (Mamata Banerjee claimed CESC Increased Their Tariff without Informing)

প্রসঙ্গত, কিছুদি ন এই বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধি নিয়ে রাজ্য সরকারকে একহাত নিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Mamata Banerjee claimed CESC Increased Their Tariff without Informing)। তাঁর অভিযোগ ছিল, ভোটের সময় চুপিসারে বিদ্যুতের বিল বাড়িয়েছে CESC। আর সেটা হয়েছে রাজ্যের রেগুলেটরি বোর্ডের অনুমোদন নিয়েই। কোথাও কোথাও দ্বিগুণ তো কোথাও আবার তিনগুণ বিল বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু।     

এই বিদ্যুতের বিল বাড়ানোর জেরে যে সাধারণ মানুষকে সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়, তাও জানান তিনি। মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত, যারা ছোটো দোকান করে দিন গুজরান করেন, তাদের জন্য এই বিদ্যুতের বিল বাড়ানো যে অভিশাপের সমান, সেকথাও বলেছিলেন বিরোধী দলনেতা।

শুভেন্দু সেই সময় বলেছিলেন, “সিইএসসি একটি বাণিজ্যিক সংস্থা। তাদের টাকা তুলতেই হবে। তারা হলদিয়া এনার্জির নামে তৃণমূলের ফান্ডে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্য়মে ৪০০ কোটি টাকা চাঁদা দিয়েছে। যে সংস্থা তৃণমূলকে ৪০০ কোটি টাকা চাঁদা দেয় তাকে ৮০০ কোটি টাকা জনগনের কাছ থেকে তুলতেই হবে। এটা ধ্রুব সত্য”। গতকালের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দাবীর সপক্ষেই সাফাই দিলেন বলে মনে করা হচ্ছে (Mamata Banerjee claimed CESC Increased Their Tariff without Informing)

আরও অন্যান্য খবর