Brother Physically Abused and Murdered Own Sister: মেয়েদের প্রতি অত্যাচার, নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে প্রায়ই। শুধুই কী রাস্তায় বেরোলেই মেয়েদের বিপদের আশঙ্কা থাকে? বাড়িতেই তো সুরক্ষিত নয় মেয়েরা। নিজের পরিবারের লোকজনদেরই লালসার শিকার হতে হয় কত কত মেয়েদের। এর ফলে নষ্ট হয়ে যায় কত মেয়ের ছোটবেলাই। যে বয়সটাকে মনে করে পরবর্তীতে মধুর স্মৃতিচারণ করার কথা, সেই সময়টাকেই মনে রাখতে বা মনে করতে ঘেন্না করে কত মেয়েরা। আর এর জন্য দায়ী তাদের পরিবারই। সমাজের ভয়ে পরিবারের ভেতরের কতশত নোংরামি লুকিয়ে রাখে সেই মেয়েটারই মা-বাবা। ফের এমন এক ঘটনার কথা সামনে এল (Brother Physically Abused and Murdered Own Sister)।
মোবাইলে নীল ছবিতে আসক্ত সবেমাত্র কিশোরে উত্তীর্ণ হওয়া এক যুবক। আর সেই আসক্তি থেকেই নিজের ৯ বছরের বোনকে ধর্ষণ করে খুন করল সে (Brother Physically Abused and Murdered Own Sister)। আর সেই ঘৃণ্য অপরাধ লুকিয়ে সেই কিশোরের পাশেই দাঁড়াল অভিযুক্তের মা ও দিদিরা। তাদের বাড়ির মেয়ের সঙ্গে যে এত বড় অপরাধ করল, সেই অপরাধকে ধামাচাপা দিল মা-দিদিরাই।
ঠিক কী ঘটেছিল (Brother Physically Abused and Murdered Own Sister)?
ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের এক পরিবারে। জানা গিয়েছে, গত ২৪ এপ্রিল একটি বাড়ির উঠোন থেকে উদ্ধার হয় ওই সেই বাড়িরই ৯ বছরের মেয়ের দেহ। বাড়ির লোক জানায়, পোকার কামড়ে নাকি মৃত্যু হয়েছে ওই নাবালিকার। তবে পরে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসতে জানা যায় আসল সত্যি। জানা যায়, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ওই নাবালিকাকে (Brother Physically Abused and Murdered Own Sister)।
এরপরই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রায় ৫০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে খবর। এরপরই আসল সত্যি জানা যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার দিন নাকি মোবাইলে নীল ছবি দেখছিল বছর ১৩-এর কিশোর। সেই সময় পাশেই ঘুমোচ্ছিল তার ৯ বছরের বোন। নীল ছবিকে অনুকরণ করতে গিয়েই বোনকে ধর্ষণ করে সে। বোন সকলকে সব বলে দেওয়া কথা বললে বোনের গলা টিপে খুন করে কিশোর(Brother Physically Abused and Murdered Own Sister)।
এরপর মাকে সব কথা খুলে বলে ওই অভিযুক্ত। কিশোরের এই ঘৃণ্য অপরাধের কথা জানতে পারে কিশোরের ১৭ ও ১৮ বছরের দুই দিদিও। সকলে মিলে চেষ্টা করে কিশোরের অপরাধ ঢাকতে (Brother Physically Abused and Murdered Own Sister)। ফলে প্রথমে মৃত্যুর অন্য কারণ জানায় তারা। কিন্তু অভিযুক্তরা বারবার বয়ান বদল করলে পুলিশের সন্দেহ বাড়ে।
জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত কিশোর, তার মা ও দিদিরা নিজেরাই অপরাধ স্বীকার করে। অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে পুলিশ। মা ও দুই দিদিকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।





