ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাকে ‘সামাজিক জরুরি অবস্থা’র সমান বলে উল্লেখ করলেন নরেন্দ্র মোদি। বুধবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে কোভিড ১৯ সংক্রমণ নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী ‘প্রতিটি জীবনকে রক্ষা করা’ই তাঁর সরকারের অগ্রাধিকার বলেও জানান। বৈঠকের পর জারি হওয়া এক সরকারি বিবৃতি থেকে জানা গেছে, মোদী আরোও বলেন, ‘আমাদের সদা সতর্ক, সজাগ থাকতে হবে।’
বুধবারের বৈঠকে উপস্থিত থাকা বিজেডি নেতা পিনাকী মিশ্র বলেন, ‘এক ধাক্কায় লকডাউন তোলার সম্ভাবনা নেই, নেতাদের কাছে স্পষ্ট করে দিয়েছেন মোদি।’
বৈঠকে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক নেতা জানিয়েছেন, মোদি তাঁদের বলেছেন যে, ‘তিনি লকডাউন তোলা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও আলোচনা করবেন। ১১ এপ্রিল সম্ভবত এই আলোচনা হবে। তখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।’
শনিবার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও বৈঠকের পর ২১ দিনের লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
প্রাথমিকভাবে কেন্দ্র জানিয়েছে, যেখানে করোনা মারাত্মক হয়নি, সেখানে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা হতে পারে। আবার আসাম, রাজস্থান, তেলেঙ্গানার মত কিছু রাজ্য লকডাউন চালানোর পক্ষে। তবে লকডাউন উঠলেও জমায়েত করা যাবেনা তাই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থান আরও চার সপ্তাহ বন্ধ রাখার পক্ষেই মন্ত্রিগোষ্ঠী মত দিয়েছে।
অন্যদিকে নীতি আয়োগের একাধিক অর্থনীতিবিদের মতে, লকডাউন চালিয়ে গেলে অর্থনীতির ভয়ঙ্কর ক্ষতি হয়ে যাবে। সব মিলিয়ে ১১ এপ্রিলের বৈঠক খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চলেছে।






