করোনা সংক্রমনের প্রভাব ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে এই রাজ্যে। এবার একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ১২জন। রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮৩। তার মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৮০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আরও ৩। রাজ্যে এখনও অবধি মৃতের সংখ্যা ৫।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বণিকসভার সঙ্গে বৈঠকে বসেন। তিনি সেখানে জানান, ‘১১ লক্ষ পিপিই-র এবং ৭ লক্ষ ২০ হাজার এন ৯৫ মাস্কের বরাত দেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে। রাজ্যে এখনও অবধি ৬১টি করোনা হাসপাতাল, ৫৬২ টা রাজ্যে সরকারি কোয়ারেন্টিন সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। এখনও অবধি ৫১৮৮ জন ছাড়া পেয়েছেন সরকারি কোয়ারেন্টিন থেকে এবং ৪৭১৭ জন সরকারি কোয়ারেন্টিনের অধীনে আছেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনা আক্রান্ত মূলত ১১টি পরিবার। এবং রাজ্যে মোট করোনা সংক্রমনের পরীক্ষা হয়েছে ১৮৮৬ টা।’
এদিন বৈঠকে ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স পুনর্নবীকরণের সময় সীমা বাড়িয়ে ৩০ জুন, ২০২০ অবধি করলেন মুখ্যমন্ত্রীর। চা বাগানের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ শ্রমিককে নিয়ে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।রোটেশনের ভিত্তিতে শ্রমিকদের কাজ করাতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি আরও বলেছেন, ‘‘লকডাউন মেনে জরুরি ভিত্তিতে পণ্য সরবরাহ করতে হবে। সেই জন্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও তাদের কিছু ছাড় দেওয়া হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে আংশিক পণ্য পরিবহণের ব্যবস্থা করতে হবে। ক্ষুদ্র শিল্পের ক্ষেত্রে অনেককে একসাথে কাজ না করে, সচেতনভাবে সামাজিক দূরত্ব মেনে কাজ করা যেতে পারে।মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পগুলো এখন কাপড়ের মাস্ক তৈরি করুন। শিল্প সংস্থাগুলিকে এক একটি বাজারের দায়িত্ব নেওয়ার আবেদনও করেন তিনি। দরকারে সংক্রমন এড়াতে বাজারে হ্যান্ড স্যানিটাইজারও ব্যবহার করা যেতে পারে।’
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘করোনা সংক্রমনের আশঙ্কার জেরে এখনই স্কুল খোলার সম্ভবনা নেই। মে মাসের শুরুতে স্কুলগুলিতে পৌঁছে যাবে মিড ডে মিল। রাজ্যে যথেষ্ট পরিমাণে মজুত রাখা হয়েছে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ওষুধ।’ তবে কবে স্কুলগুলি আবার চালু হবে সে বিষয় এখনও প্রশাসনের তরফে কিছু জানানো হয়নি।






