সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কোঅপারেশন বা সার্কভুক্ত দেশগুলির বাণিজ্যিক আধিকারিকদের মধ্যে করোনার প্রভাব এড়িয়ে কীভাবে বাণিজ্য করা যায় তা নিয়ে একটি ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয় গতকাল, যেখানে অনুপস্থিত ছিল পাকিস্তান! ওই আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল, করোনায় যখন গোটা বিশ্বের জনজীবন প্রায় স্তব্ধ, তখন কীভাবে বাণিজ্য ক্ষেত্রে বিশাল ক্ষতির হাত এড়ানো যায়।
বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানা গেছে, এই বৈঠকে যে বিষয়গুলি নিয়ে মূলত আলোচনা হয় সেগুলি হল, যথাযথ শর্ত সহ অগ্রাধিকারমূলক শুল্কে আমদানির অস্থায়ী ছাড়পত্র, নথিপত্রের স্ক্যানড কপিকে মেনে নেওয়া এবং ব্যাঙ্কগুলির পেমেন্ট মুক্তি দ্রুত করা এবং রফতানি ও আমদানি সংক্রান্ত নানা সমস্যার সমাধান করা। যে সাতটি দেশ গতকালের বৈঠকে যোগ দেয় তারা একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অন্যান্য দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে, ভারত এই বিষয়টি দেখাশোনা করবে বলে ঠিক হয়েছে। এর ফলে করোনা চলাকালীন বাণিজ্য বজায় রাখা ও করোনা সংক্রান্ত কড়াকড়ি উঠে গেলে বাণিজ্য দ্রুত স্বাভাবিক করা – দুটিই সহজসাধ্য হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পাকিস্তানের গরহাজির থাকার ব্যাপারটি নতুন কিছুই নয়, এর আগেও ১৫ মার্চ করোনা প্রতিরোধ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৭ সার্ক রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে একটি ভিডিও কনফারেন্স ডাকেন। তখনও একমাত্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধান ইমরান খান তাতে অনুপস্থিত ছিলেন।





