রাজ্যের মাদ্রাসার পাঠক্রমে পড়ানো হচ্ছে পাকিস্তানি বই! সরব কমিশন!

শিক্ষা (Education) হল জাতির মেরুদন্ড আর শিক্ষক সেই কারিগর যিনি জাতি তৈরি করেন। এই কারণেই হয়তো শিক্ষকতা  শুধুই একটি পেশা নয়, এটা সমাজসেবা (Social work)। যে কোন‌ও বড় বড় দেশে শিক্ষককে সবথেকে আগে মর্যাদা দেওয়া হয়। সম্প্রতি শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসতে চলেছে। মাদ্রাসার (madrasa) পাঠক্রমে (Syllabus) এবার চালু হবে পাকিস্তানি বই।

হ্যাঁ, এইবার থেকে মাদ্রাসার পাঠক্রমে পাকিস্তানি বই চালু হবে, যা নিয়ে ইতিমধ্যে সরব হয়েছেন কমিশন। হ্যাঁ মাদ্রাসাগুলির পাঠক্রমে পাকিস্তানি বই পড়ানো হচ্ছে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তোলা হলো জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের তরফ থেকে।

এই অভিযোগ তোলার পাশাপাশি মাদ্রাসা গুলোতে হিন্দু পড়ুয়ার সংখ্যা কত, তা নিয়েও রীতিমত ধন্দ পড়ে গিয়েছে কমিশন। এই নিয়ে রাজ্যের মাদ্রাসা বোর্ড কোন‌ও তথ্য দিচ্ছে না বলেও কমিশনের তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়। তবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নয়, ভারতের বিহার রাজ্যের মাদ্রাসার পাঠক্রমে এই পাকিস্তানি বই চালু হচ্ছে।

জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রিয়াঙ্কা কানুনগো এই নিয়ে অভিযোগ করে বলেন,“বিহারে রাজ্য সরকারের অর্থানুকূল্যে পরিচালিত মাদ্রাসা গুলিতে নির্ধারিত পাঠক্রমের অনেক ব‌ই পাকিস্তানে ছাপা হয়। তাদের বিষয়বস্তু নিয়ে গবেষণা চলছে।”

প্রিয়াঙ্কা দাবী করেন, মাদ্রাসায় ‘তালিমুল ইসলাম’ পড়ানো হচ্ছে। প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, “এই ব‌ইয়ে অমুসলিম ব্যক্তিদের কাফের বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব মাদ্রাসায় হিন্দু ছেলে মেয়েদের‌ও ভর্তি করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু তাদের সংখ্যার অনুপাত সম্পর্কে বিহার সরকার আনুষ্ঠানিক তথ্য দিচ্ছে না।”

আরও পড়ুনঃ মৃত্যু নয়, অচেতন দেহ উদ্ধারের কথা জানায় প্রথমে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ময়নাতদন্তের পর অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ কেন, সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে পুলিশ! 

একই সাথে তার অভিযোগ, “মাদ্রাসা গুলি থেকে হিন্দু শিশুদের স্কুলে স্থানান্তরের প্রশ্নেও সরকার সাহায্য করছে না। এক্ষেত্রে বিহার মাদ্রাসা বোর্ডের যুক্তি, মাদ্রাসার পাঠক্রম ইউনিসেফ ইন্ডিয়া তৈরি করেছে।” আবার প্রিয়াঙ্কার মতে এই সবটাই আসলে ইউনিসেফ ও মাদ্রাসা বোর্ড কর্তৃক তুষ্টিকরণের চেষ্টা।

Sangita Chatterjee

আরও পড়ুন

RELATED Articles