আর জি কর কাণ্ডে একদিকে যখন রাজ্যজুড়ে গড়ে উঠেছে প্রতিবাদ-আন্দোলন, এমন আবহে নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে ছাত্র সমাজের তরফে। আগামীকাল, ২৭ আগস্ট ‘নবান্ন চলো’ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে। এই কর্মসূচিকে ঘিরে ব্যাপক অশান্তি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। এবার রাজ্য পুলিশের তরফে এই কর্মসূচিকে বেআইনি বলে দেগে দেওয়া হল।
নবান্ন অভিযান নিয়ে প্রথম থেকেই শাসক দলের নেতারা নানান মন্তব্য করে এসেছেন। তাদের কথায়, এই কর্মসূচির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে। এই কর্মসূচি আসলে অশান্তির ষড়যন্ত্র, এমনটাই দাবী তাদের। এবার রাজ্য পুলিশের তরফে এই আন্দোলন নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করা হল।
আজ, সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) মনোজ বর্মা। তিনি জানান, “কোনও ছাত্র সংগঠনের তরফে আমাদের কাছে ২৭ আগস্টের অভিযান নিয়ে কোনও অনুমতি চায়নি। নবান্ন উচ্চ নিরাপত্তার এলাকা। রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন। এখানে কোনও অনুমতি ছাড়া কোনও কর্মসূচি পালন করা যায় না। তাই এই মিছিল বেআইনি”।
এই বৈঠকে ছিলেন এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকারও। তিনি নবান্ন অভিযান নিয়ে জানান, পশ্চিমবঙ্গ ছাত্রসমাজের নাম করে এই অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে । কিন্তু ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামে কোনও সংগঠন নেই। তাঁর কথায়, “আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি, এই নামে কোনও সংগঠন নেই”।
সুপ্রতিম সরকার এদিন আরও বলেন, “কিছু লোক গন্ডগোল করে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। কালকের ভিড়ের মধ্যে কিছু দুষ্কৃতী মিশে গিয়ে ঝামেলা বাঁধানোর চেষ্টা করবে। সাধারণ মানুষের ভাবাবেগকে কাজে লাগিয়ে কেউ কেউ এসব করার চেষ্টা করবে”।
এদিন রাজ্য পুলিশের তরফে সতর্ক করে বলা হয়, এই মিছিলে প্রতিবাদীদের আড়ালেই কেউ বা কারা মিশে গিয়ে অশান্তি ছড়াতে পারে। এই মিছিল থেকে সাধারণ মানুষকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার শহরের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।





