আর জি কর (R g kar incident) নিয়ে রাম থেকে বাম , হাত থেকে ঘাসফুল সব শিবির রীতিমতো উত্তেজিত হয়ে আছে। প্রত্যেকেই ন্যায় বিচার চেয়ে পথে নেমে পড়েছেন ইতিমধ্যেই। বিরোধীপক্ষ বনধ ডাকছে আর সরকারপক্ষ অপরাধীদের শাস্তির দাবীতে সরব। দুই সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গেলেও এখনও নির্যাতিতার পরিণতির কথা ভুলতে পারছেন না কেউ। সম্প্রতি এই আরজিকর কাণ্ড নিয়ে শুরু হল নতুন বিতর্ক। এই ইস্যুতেই নাকি বিজেপি নেতার ঠ্যাং ভেঙে দেওয়ার নিদান দিয়েছেন তৃণমূল নেতা।
গত শনিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কাশিপুর এলাকাতে আর জি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার ন্যায় বিচার ও দোষীদের ফাঁসির দাবি করে একটি মিছিল করেছিল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর বিক্ষোভ অবস্থান মঞ্চে বক্তব্য রাখতে ওঠেন তৃণমূল নেতা। এরপর প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই আরজিকর ইস্যুতে বিজেপি নেতাদের ঠ্যাং ভেঙে দেওয়ার নিদান দেন তিনি। এই নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার ধানসিমলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তথা তৃণমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মন্ডল অবস্থান মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “আর জি কর ইস্যু নিয়ে বিজেপির নেতা কর্মীরা অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করলে তাদের কোমর থেকে পা পর্যন্ত ভেঙে দেবেন।” তৃণমূল নেতার এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা কটাক্ষ করেছেন বিজেপি। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল।
যত দিন যাচ্ছে তত ঠান্ডা হওয়ার বদলে যেন আগুনের গোলার মত হয়ে উঠছে আর জি কর কাণ্ড আর এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতার এই বক্তব্য যেন আগুনে ঘি ঢালছে। ঠিক যেমন সোনামুখী ব্লকের কাশিপুর এলাকাতে বিক্ষোভ অবস্থান মঞ্চে গিয়ে সেখানকার মহিলাদের উদ্দেশ্যে ইউসুফ মন্ডল বলেন, “আর জি কর কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি নেতারা এলাকায় অশান্তি পাকাতে এলে তাদের কোমর থেকে পা পর্যন্ত ভেঙে দেবেন। তাদের বুঝিয়ে দেবেন সোনামুখী ব্লক তৃণমূল এখনও মরে যায়নি”।
এই প্রসঙ্গে সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামি আবার পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, “ছাত্র সমাবেশে মুখ্যমন্ত্রী ফোঁস করার কথা বলার পর ওই তৃণমূল নেতা এইসব কথা বলে এলাকায় অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ঐ তৃণমূল নেতারই কে বা কারা ঠ্যাং ভেঙে দিয়েছিল। এই ধরনের কথা যে বেশি বলবে মানুষ তার ক্ষেত্রে একই বিচার করবে।”





