আগস্ট মাসেই কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল ১৪ হাজার ৫২ জন চাকরি প্রার্থীর নিয়োগ দ্রুততার সঙ্গে করতে হবে । রাজ্য সরকারের তরফ থেকেও জানানো হয়েছিল যে এক সপ্তাহর মধ্যেই নেওয়া হবে পদক্ষেপ। কিন্তু এক সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও হয়নি নিয়োগ। তাই দ্রুত নিয়োগের দাবীতে কলকাতার রাস্তায় মিছিল করলেন চাকরিপ্রার্থীরা।
পশ্চিমবঙ্গ আপার প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থী মঞ্চ তরফ থেকে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। সল্টলেক সেক্টর ফাইভ থেকে উল সার্ভিস কমিশনের অফিস পর্যন্ত এই মিছিল করা হয়। তারপর অফিসের সামনেই অবস্থানে বসে পড়েন চাকরিপ্রার্থীরা। তাদের দাবি ৩০শে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই কাউন্সিলিং করে তাদের চাকরিতে নিয়োগ করতে হবে।
গত ২৮শে আগস্ট ২০১৪ সালের আপার প্রাইমারি শূন্যপদ নিয়োগের মামলায় রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। দীর্ঘ আট বছর পর উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে জট কেটেছে কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়ে।
বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ আদেশ দিয়েছিল, “৪ সপ্তাহের মধ্যে ১৪ হাজার ৫২ জনের মেধা তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পরের ৪ সপ্তাহের মধ্যে কাউন্সিলিং প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে”। তা সত্ত্বেও এখন অব্দি কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি বলেই মিছিল করে অবস্থানে যান চাকরিপ্রার্থীরা।
এই আপার প্রাইমারির নিয়োগের প্রক্রিয়াতে ব্যাপক অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। ফরম ফিলাপ করেনি এমন চাকরিপ্রার্থীদের ডাকা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। আরও অভিযোগ ছিল যে টেট পরীক্ষার নম্বর বাড়িয়ে সেই ফরম ফিলাপ না করা প্রার্থীদের ইন্টারভিউ ডাকা হয়েছিল এবং এই কারচুপি যাতে সামনে না আসে, সেই জন্য ধামাচাপা দিতে কে কত নম্বর পেয়েছে তা উল্লেখ করা হয়নি প্রকাশিত তালিকায়। এতগুলি অভিযোগের উপর ভিত্তি করে মামলা দায়ের করা হয়েছিল হাইকোর্টে।





