‘সবার আগে তো কুণালকে গ্রেফতার করা উচিত’, সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্তকে গ্রেফতার করায় একযোগে সরব বিজেপি-বাম

স্বাস্থ্য ভবনের সামনে আজ পাঁচদিন ধরে বিক্ষোভ অবস্থান করছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। নবান্নের সঙ্গে বৈঠকের জট কাটে নি। এরই মধ্যে গতকাল, শুক্রবার তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ একটি অডিও ক্লিপ শেয়ার করে (অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি খবর ২৪৭) দাবী করেন, বাম ও অতিবামরা মিলে জুনিয়র চিকিৎসকদের উপর হামলার ছক কষেছিল। সেই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ডিওয়াইএফআই নেতা কলতান দাশগুপ্তকে। এবার এই নিয়ে সরব হল বিজেপি ও সিপিএম।   

কলতান দাশগুপ্তের এই গ্রেফতারি নিয়ে সিপিএম রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “পুলিশ যদি সঠিকভাবে তদন্ত করতে চাইত তাহলে তাদের প্রাথমিক কাজ ছিল কুণাল ঘোষকে হেফাজতে নেওয়া। কুণাল ঘোষ ওই অডিয়ো ক্লিপিংটা কোথা থেকে পেলেন? কারা ওই অডিয়ো ক্লিপ তৈরি করেছেন সবটাই কুণাল ঘোষ জানেন। কুণাল ঘোষ জানেন তদন্ত হলে তিনি গ্রেফতার হবেন তাই কলতানের মতো ছেলেকে গ্রেফতার করিয়ে ব্যাপারটা গুলিয়ে দিতে চাইছেন। কলকাতা পুলিশ স্বাধীনভাবে এর তদন্ত করতে পারবে কি না আমার মনে শংকা আছে”।

অন্যদিকে, এই নিয়ে প্রতিবাদের সুর চড়িয়েছে বিজেপিও। বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “কলতান দাশগুপ্তের অডিয়ো ক্লিপ কুণাল ঘোষ পেলেন কী করে? তাহলে কি প্রত্যেকের ওপর এরকম নজরদারি চলছে? যে ভাবে কলতানকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা স্বৈরতান্ত্রিক পদক্ষেপ। আমি যতটুকু ওকে চিনি, নাশকতামূলক কোনও কাজ করার ছেলে সে নয়। হুমায়ুঁ কবির যখন হিন্দুদের কেটে জলে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তখন পুলিশের এই তৎপরতা কোথায় থাকে”?

প্রসঙ্গত, গতকাল, শুক্রবার বিকেলে একটি অডিও ক্লিপ সামনে এনে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ দাবী করেন, সল্টলেকে জুনিয়র চিকিৎসকদের উপর হামলার ছক কষেছিল বাম ও অতিবাম সংগঠন। সেই অডিও ক্লিপে একজনকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘সাহেব বলেছেন সল্টলেক উড়িয়ে দিতে’। এর জবাবে অন্য একজন বলেন, ‘তাহলে উড়িয়ে দে’।

আরও পড়ুনঃ ‘আমাদের আন্দোলন অরাজনৈতিক, রাজনৈতিক নেতাদের সবাইকে গো ব্যাক বলেছি…’ আন্দোলন জারি রাখার বার্তা জুনিয়র চিকিৎসকদের

এই অডিও ক্লিপ সামনে আসতেই গতকাল সঞ্জীব দাস নামের একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর আজ, শনিবার সকালে গ্রেফতার করা হয় সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্তকে। তা নিয়ে এবার একযোগে সরব রাম ও রাম।  

আরও অন্যান্য খবর