করোনা প্রকোপে এখন বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। বিঘ্নিত হচ্ছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনও। সংক্রমন কাটাতে এখন বিশ্বের সব দেশই মানুষজনকে গৃহবন্দী করেছেন এবং লকডাউনের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশপাশি ঘোর অর্থনৈতিক সংকটের কথাও সব দেশকে জানিয়েছেন আইএমএফ। এই সময় করোনার কোনো সঠিক প্রতিষেধকও আবিষ্কার হয়নি। ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক দিয়ে কোনো মতে কাজ চালানোর ব্যবস্থা চলছে দেশে দেশে। সংক্রমন যেন হাতের নাগালে আসতেই চাইছে না। পাশাপাশি বেড়েই চলেছে মৃত্যুর তালিকা।
এই সময় রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিও গুয়েতেরেসের মন্তব্য, ‘করোনা ভাইরাসের টিকা আবিষ্কার না হলে পৃথিবী কখনই স্বাভাবিক হতে পারবে না।’ বৃহস্পতিবার ৫০ টিরও বেশি আফ্রিকার সদস্য দেশের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে একথা বলেন মহাসচিব। তিনি আরও বলেন, এই টিকা আবিষ্কার হলে তা মানবজাতির জন্য সব থেকে কল্যাণকর কাজ হবে। তাতে ‘বিশ্বব্যাপী মানুষ উপকৃত’ হবেন এবং অতিমারীর প্রকোপ কমতে থাকবে।
এ বছরেই করোনা ভাইরাসের টিকার আবিষ্কার নিয়ে আশাবাদী গুয়েতেরেস বলেন, আমাদের চেষ্টা করতে হবে যাতে আন্তর্জাতিক অংশীদাররা সুসংহত পদ্ধতি গ্রহণ করে, এতে করোনাভাইসের টিকা আবিষ্কারের ও গবেষণার গতি বৃদ্ধি পেতে পারে।
করোনা মোকাবিলার ক্ষেত্রে উগান্ডা সহ বেশ কিছু দেশের মানবিক পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। দেশে কর জমা দেওয়ার সময় বাড়িয়ে ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়েছে উগান্ডা সরকার।এছাড়াও নামিবিয়াতে চাকরি হারানো শ্রমিকদের খাদ্যও বিতরণ করছেন সরকার।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, করোনার টিকা আবিষ্কারে তাদের এখনও একবছর সময় লেগে যাবে। তাই এখন করোনার টিকার অপেক্ষায় বিশ্ববাসী।





