জলাশয় থেকে মাছ লুট করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে। মৎস্যজীবীদের সঙ্গে নিয়ে মাছ লুট করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। যদিও বিধায়কের তরফে এই সমস্ত অভিযোগ নাকোচ করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের রতুয়া থানা এলাকায়। সেখামে ৮৯ একর জমি জুড়ে একটি জলাশয় রয়েছে রাঙামাটিয়া নামের। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ বাজিতপুর কলোনি মৎস্যজীবী কোঅপারেটিভ সোসাইটি সেই জলাশয়ে লিজ পেয়েছিল। ২০৩১ সালের মে মাসে সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।
সেই জলাশয়েই মাছ চাষ করা হয় সমবায় সমিতির তরফে। জলাশয়ের পাশেই রয়েছে সমবায় সমিতির একটি ঘর। অভিযোগ, গতকাল, শুক্রবার সেখানেই হামলা চালায় মৎস্যজীবীদের একটি দল। সমবায় সমিতির ওই ঘরে ভাঙচুর করা হয়। শুধু তাই নয়, ওই এলাকার তৃণমূল বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে জলাশয়ে জাল দিয়ে মাছও লুট করা হয় বলে অভিযোগ।
সমবায় সমিতির সদস্যরা মারধরের ভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান। এই ঘটনায় তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে ভাঙচুর ও মাছ লুটের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বাজিতপুর কলোনি মৎস্যজীবী কোঅপারেটিভ সোসাইটির ম্যানেজার জানান, হাইকোর্টের নির্দেশেই তারা জলাশয়টি লিজে নিয়েছেন। এরপরও তাদের উপর হামলা করা হয়েছে।
এদিকে তৃণমূল বিধায়ক স্মত মুখোপাধ্যায় নিজের দিকে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর আবার পাল্টা দাবী, বাজিতপুর কলোনি মৎস্যজীবী কোঅপারেটিভ সোসাইটি মৎস্যজীবীদের পেটে লাথি মারছে। তারা গুণ্ডাদের মাছ বিক্রি করছে। ফলে মৎস্যজীবীরা ব্যবসায় লাভ না করতে পেরে খেতে অয়ারছেন না। মৎস্যজীবীরা হাতে মাছ চাষ করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুনঃ পাকা ধানে মই! ‘দানা’র জেরে ফের জলের তলায় চাষের জমি, জলে ভাসছে পাকা ফসল, চাষিদের মাথায় বজ্রাঘাত, ফের বাড়বে সবজির দাম!
এমন অভিযোগে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মালদহের জেলাশাসক। তিনি এও জানান, এটা অনেকদিনের সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানের জন্য বৃহস্পতিবার মহকুমাশাসকের নেতৃত্বে বৈঠক হয়েছে। কিন্তু তারপরও এমন ঘটনা ঘটল। ফলে মালদহের মৎস্য দফতরকে এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন জেলাশাসক।






