লকডাউনের মধ্যে কেন্দ্রের তরফে আবারও জারি করা হল বিশেষ ছাড়, দেখে নিন এক নজরে

দেশে করোনা সংক্রমনের হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর এই সংক্রমণ রুখতে ৩রা মে পর্যন্ত লকডাউনের সময় বাড়ানো হলো। কিন্তু এই লকডাউন সাধারণ মানুষের রোজকার জীবনকেও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। গৃহবন্দি থাকার দরুন অনেক মানুষই আর্থিক দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই দ্বিতীয় দফার লকডাউনের মধ্যেও দেশবাসীর আর্থিক সংকট ও জীবনযাত্রার অসুবিধাকে দূর করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় সরকার।লকডাউনের কড়া নিয়মকে এবার ক্রমশ শিথিল করা হচ্ছে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে। গত ২০শে এপ্রিল থেকে বিভিন্ন জায়গায় লকডাউনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর আবার মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে নতুন একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। যে নির্দেশিকা অনুসারে আরও বেশ কিছু ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার ছাড় ঘোষণা করছে।

লকডাউনের মধ্যে কেন্দ্রের তরফে আবারও জারি করা হল বিশেষ ছাড়, দেখে নিন এক নজরে

নয়া নির্দেশিকা অনুসারে যে সকল ক্ষেত্রে লকডাউনের নিয়ম শিথিল করা হচ্ছে তার একটি তালিকা দেওয়া হল-

১) পড়ুয়াদের সুবিধার্থে সমস্ত রকম পাঠ্য বইয়ের দোকান খোলা থাকবে।

২) ভারতে দিন দিন গরম যেভাবে বাড়ছে তাতে ইলেকট্রিক সরঞ্জামের মধ্যে ফ্যান বিক্রির ক্ষেত্রে মিলেছে ছাড়।

৩) মোবাইল রিচার্জ এবং প্রিপেড সেন্টারগুলিকে ছাড়ের আওতায় রাখা হয়েছে।

৪) আয়ার কাজ করে থাকেন এমন মানুষেরা কাজের জন্য ছাড় পাচ্ছেন।

৫) কৃষিকাজ, বাগান, মৌমাছি পালন ইত্যাদির ক্ষেত্রে যুক্ত গুদামগুলিকে ছাড়ের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়াও এইসব কাজে ব্যবহৃত গবেষণাগারগুলিকেও ছাড়ের আওতায় আনা হয়েছে।

৬) খাদ্য সামগ্রির সাথে যুক্ত চাল কল, ডাল কল ও বেকারি (শহরাঞ্চলে) খোলার ক্ষেত্রে ছাড় মিলেছে।

লকডাউনের মধ্যে কেন্দ্রের তরফে আবারও জারি করা হল বিশেষ ছাড়, দেখে নিন এক নজরে

তবে নিয়ম শিথিল করা হলেও তা সব জায়গায় লাগু হবে না। যেখানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এখনো সেভাবে ছড়ায়নি সেখানেই এই নিয়মের হেরফের করা হবে। এছাড়া এই সকল কাজের ক্ষেত্রে সবাইকে সামাজিক দূরত্ব ও অন্যান্য সতর্কতামূলক নির্দেশগুলি পালন করে চলতে হবে। এগুলি ছাড়াও লকডাউন চলাকালীন কেন্দ্রের তরফ থেকে কৃষিক্ষেত্র, গ্রামীণ শিল্প, গ্রামীণ খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, গ্রামীণ বেকারি শিল্পে আগেই ছাড় দেওয়া হয়েছিল।

এছাড়াও মনে রাখতো হবে দোকানে থাকার সময় প্রতিটি মানুষকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। একসঙ্গে অনেক কাস্টমারের ভিড় হতে দেওয়া যাবে না। দিনে ৪-৫ বার হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হ্যান্ড ওয়াশ বা সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবে। লকডাউনের মধ্যে বেশকিছু ক্ষেত্রে ছাড় মিললেও সব ক্ষেত্রেই মেনে চলতে হবে সমস্ত রকম সামাজিক নির্দেশিকা।

RELATED Articles

Leave a Comment