রাজ্যে করোনা সংক্রমনের হার এখনও বেড়েই চলেছে। এমতাবস্হায় করোনার উপস্বর্গ দেখা দিলে রোগীর বাড়ির লোক তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সব বেসরকারি হাসপাতাল করোনা সংক্রামিত রোগীদের চিকিৎসার দায়ভার নিতে চাইছেন না। বারবার বেসরকারি হাসপাতালের রোগী প্রত্যাখ্যানে বিব্রত রাজ্য সরকার এবার কড়া নির্দেশিকা জারি করল। এবার থেকে করোনা সংক্রামিতকে বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করতে সরকারের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
করোনা ভাইরাস রুখতে প্রথম থেকেই তৎপর রাজ্য সরকার। করোনা মোকাবিলায় বিভিন্ন পরিস্হিতিতে অনেক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বেশ কয়েকটি হাসপাতালকেও কোভিড হাসপাতাল হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোমে করোনা চিকিৎসার বন্দোবস্ত করেছে রাজ্য। তবে বর্তমানে দেখা যাচ্ছে বহু রোগীই এই নির্দিষ্ট জায়গাগুলো বাদেও অন্যত্র চিকিৎসার জন্য উপস্হিত হচ্ছেন। যার জেরে বেশ কিছু নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ ওই রোগীকে প্রত্যাখ্যান করছেন। বহু ক্ষেত্রেই অবশ্য কর্তৃপক্ষ বলছেন, চিকিৎসার জন্য তাদের সরকারি অনুমতির প্রয়োজন হয়।করোনা মোকাবিলায় রাজ্যসরকার বারংবার সবার কাছে অনুরোধ করেছেন একসঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার। তার পরেও এমন অভিযোগ আসায় এবার কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য।
এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার যে নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার, তাতেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, এবার থেকে কোনও করোনা রোগীকে ফেরাতে পারবে না বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। করোনা রোগীকে চিকিৎসার জন্য সরকারি অনুমতির প্রয়োজনীয়তা বাধ্যতামূলক নয়। যে কোনও মুহূর্তে ভরতি হতে আসা কোভিড ১৯ পজিটিভ রোগীকে চিকিৎসা করতে হবে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে। নির্দেশিকা অগ্রাহ্য করলে কঠিন ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। বেসরকারি হাসপাতালগুলির রোগী ফেরানোর খবর সামনে আসার পর থেকে স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়েছিলেন সাধারণ মানুষ। তবে রাজ্য সরকারের এই নির্দেশিকা জারি হওয়ার পর অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছেন তারা।






