সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর বিনামূল্যেই শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে বাড়ি ফিরতে পারবেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। শ্রমিক স্পেশালের টিকিটের দামের কেবলমাত্র ১৫% দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। অর্থাৎ যাতায়াতের বাকি খরচ বহন করবে কেন্দ্র। সোমবার সকালেই কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী জানান, প্রয়োজনে তাঁর দল শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনের টিকিটের দাম দিয়ে দেবে। ক্ষুধার্ত শ্রমিকদের থেকে বাড়ি ফেরার জন্য টিকিটের দাম নেওয়ার কড়া সমালোচনা করেন তিনি।
তার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণম স্বামী জানান, টিকিটের দাম শ্রমিকদের দিতে হবে না বলে জানিয়েছে রেলমন্ত্রক।
প্রসঙ্গত, এই টুইটেরই কিছু সময় আগে করা কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করে ছিলেন বিজেপি সাংসদ। “কতটা নির্বোধ কাজ এটা! ক্ষুধার্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের থেকে ভাড়া চাইছে সরকার।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের যদি ফিরিয়ে আনতে বিনামূল্যে উড়ানের ব্যবস্থা করা যায়, তবে দরিদ্র শ্রমিকদের জন্য কেন ট্রেনের টিকিটের দাম নেওয়া হবে? তিনি এও লেখেন যে, “প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিল থেকে কেন এই ভাড়া মেটানো হচ্ছে না?”
https://twitter.com/ANI/status/1257178783120908292?s=20
এর আগে পর্যন্ত রেলের নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল যাত্রা করতে চায় এমন শ্রমিকদের নাম নথিভুক্তকরণের করে রেলকে তালিকা পাঠানো, টিকিট বিতরণ ও দাম সংগ্রহ করে রেলের হাতে তুলে দেওয়ার ভার রাজ্য সরকারের। রেলের এই নীতির তীব্র সমালোচনা শুরু হয় দেশজুড়ে। সাধারণত শ্রমিকরা যে সংস্থা কাজ করে তাঁদের যাতায়াতের খরচ বহন করার কথা সেই সংস্থারই। বলাবাহুল্য, সব ক্ষেত্রে যে তা হয় না তা বলাই বাহুল্য।
বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র এদিন নিজেও এ কথা জানিয়ে টুইট করেন। তিনি বলেন, “রেলের সুষ্ঠ কাজের মধ্যে রাজনীতি না ঢুকিয়ে ১৫% মেটাক কংগ্রেসশাসিত সরকার।”
https://twitter.com/Swamy39/status/1257154558557483009?s=20
রবিবারই এক ফেসবুক ভিডিয়োয় কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী জানান, রেলমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল তাঁকে জানিয়েছেন ৮৫% টিকিটের খরচে ভর্তুকি দেবে কেন্দ্র।






