Mur*der: তন্ত্রসাধনার নরব*লির মামলায় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত দুই মহিলা খালাস! আসল খুনি এখনও অধরা!

সাত বছর আগের একটি ঘটনা আজও মানুষের মনে গভীর ছাপ রেখেছে। ছোট এক নাবালিকার রহস্যময় মৃত্যু, তান্ত্রিক কার্যকলাপের অভিযোগ, আর সামাজিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, এই সমস্ত বিষয় একসাথে তৈরি করেছিল এক অদ্ভুত উত্তেজনা। মানুষের মনে তখন প্রশ্ন জেগেছিল, এমন কিছু কি আদেও সম্ভব?

ঘটনার পরপরই তান্ত্রিক মুরারি পণ্ডিত, তাঁর স্ত্রী সাগরিকা পণ্ডিত এবং নাবালিকার দিদিমাকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ ছিল তন্ত্রসাধনার নামে নরবলির ঘটনা, ধর্ষণ এবং খুন। নিম্ন আদালতে দীর্ঘ বিচার চলার পর মুরারির মৃত্যু ঘটে। তবে বাকি দু’জনের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করা হয় সাগরিকাকে ফাঁসি এবং দিদিমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। সমাজে এই খবর তখন এক চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল।

কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ, বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি প্রসেনজিৎ বিশ্বাস, সব প্রমাণ খতিয়ে দেখার পর সিদ্ধান্ত নেন। আদালতের মতে, প্রমাণের অভাব, তদন্তে অসঙ্গতি এবং যুক্তির ত্রুটি লক্ষ্য করা গেছে। তাই তারা দু’জনকেই বেকসুর খালাস করার নির্দেশ দেন। আদালতের রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এ ঘটনায় নির্দোষ মানুষদের সাজা দেওয়া হয়েছিল।

এই রায়ের পরও সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। নাবালিকাকে কে হত্যা করল? তদন্তের ত্রুটি এবং প্রমাণের অভাবে এই রহস্যের কোনো পরিষ্কার সমাধান এখনও নেই। আইনজীবীরা, সমাজকর্মীরা এবং সাধারণ মানুষ সবার মনে একই প্রশ্ন জেগেছে, খুনীকে ধরা কি সম্ভব হবে?

আরও পড়ুনঃ Supreme Court on WAQF Case: স্থগিত করা হয়নি ওয়াকফ সংশোধনী আইন! তবে গুরুত্বপূর্ণ ধারা নিয়ে স্থগিতাদেশ জারি!

হাইকোর্টের রায় সমাজকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে, তবে পুরো রহস্য এখনও সমাধান হয়নি। বেকসুর খালাস পাওয়া এই মামলার ঘটনা মনে করিয়ে দিচ্ছে আইন এবং প্রমাণের গুরুত্ব অপরিসীম। কেউ অপরাধ করে থাকলেও প্রমাণ ছাড়া সাজা দেওয়া যাবে না। ঘটনাটি ঘটেছিল হুগলির খানাকুলে। এ ঘটনায় সমাজের সচেতনতা, তদন্ত প্রক্রিয়ার গুরুত্ব এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles