‘বৈঠকে অনীহা কেন?’ বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর ইম্পা সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তর অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি! ছবি বাছাই কমিটি নিয়ে তীব্র টানাপোড়েন, ইম্পা দফতর সিলের দাবি! থানায় দায়ের হয়েছে লিখিত অভিযোগ?

রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর টলিউডের অন্দরে শুরু হয়েছে নতুন টানাপোড়েন। ইন্ডাস্ট্রির প্রযোজক ও পরিবেশকদের একাংশ ছবি বাছাই কমিটি নিয়ে আলোচনা করতে চান। ভবিষ্যতে কীভাবে ছবি মুক্তি পাবে এবং কোন নিয়মে চলবে এই কমিটি, তা নিয়ে দ্রুত বৈঠকের দাবি উঠেছে।

তবে এই বৈঠক নিয়েই আপত্তি তুলেছেন পিয়া সেনগুপ্ত, যিনি ইম্পার সভাপতি। তাঁর অনীহার কারণেই পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে বলে অভিযোগ। ইন্ডাস্ট্রির একাংশের মতে, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এখনই আলোচনায় বসা জরুরি।

এদিকে ইম্পার দফতরে ভাঙচুরের খবরও ছড়ায়। যদিও শতদীপ সাহা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, কোনও ভাঙচুর হয়নি। বরং প্রযোজক ও পরিবেশকরা বৌবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন, যাতে গুরুত্বপূর্ণ নথি সরিয়ে ফেলা না হয় সেই জন্য দফতর সিল করার অনুরোধও জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফলতা কাণ্ডে নতুন মোড়! জাহাঙ্গির খানের ‘গ্রেফতার’ ঘিরে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া, ভোট বাতিলের আবহে বাড়ছে রহস্য!

এই বিষয়ে পিয়া সেনগুপ্ত জানান, ইম্পা এবং পুরো চলচ্চিত্র জগৎ রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ। এখানে কোনও দলের প্রভাব নেই বলেই তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক না হওয়া পর্যন্ত তিনি এই বিষয়ে কিছু বলতে পারবেন না এবং পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতেও চান না।

অন্যদিকে শতদীপ সাহার বক্তব্য, চলচ্চিত্র জগতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করাই তাঁদের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু বৈঠকে না বসায় অনিশ্চয়তা বাড়ছে। তাঁর দাবি, কোনও হামলার ঘটনা নয়, বরং আলোচনার দাবি থেকেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এখন এই ইন্ডাস্ট্রি কোন পথে এগোবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে আসন্ন বৈঠকের উপর।

RELATED Articles