সল্টলেকের বাসিন্দাদের জন্য আসছে বড় স্বস্তির খবর। রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বুকিং বা সরবরাহের অপেক্ষার ঝামেলা ধীরে ধীরে কমতে চলেছে। একই সঙ্গে সিএনজিচালিত গাড়ির চালকরাও পাবেন নতুন সুবিধা। দুর্গাপুজোর আগেই সল্টলেকে প্রথম ২৪ ঘণ্টার CNG স্টেশন চালু করার প্রস্তুতি চলছে। ইন্দিরা ভবন ও সেচ ভবনের মাঝামাঝি এফএফ ব্লকে দ্রুত গতিতে স্টেশন তৈরির কাজ এগোচ্ছে।
এই প্রকল্পের পাশাপাশি শুরু হয়েছে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস বা PNG পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও। বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, সল্টলেকের সেক্টর ১, ২ এবং ৩-এর প্রায় ২৬ হাজার পরিবারের কাছে ধাপে ধাপে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। সংস্থার দাবি, আগামী দেড় থেকে দু’বছরের মধ্যে অধিকাংশ বাড়িতে PNG সংযোগ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।
নতুন CNG স্টেশন চালু হলে সল্টলেক এবং আশপাশের এলাকার অটো, ট্যাক্সি, বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালকদের জ্বালানি সংগ্রহ অনেক সহজ হবে। বর্তমানে রাজারহাট নিউ টাউন, কসবা, গড়িয়া, সিঁথির মোড়, কাঁকুড়গাছি এবং কল্যাণীর কয়েকটি স্টেশনে ২৪ ঘণ্টা CNG পাওয়া যায়। নতুন স্টেশন চালু হলে সেই তালিকায় যুক্ত হবে সল্টলেকও।
সংস্থার পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিধাননগর পুরনিগমের ২৯ থেকে ৪০ নম্বর ওয়ার্ডে ধাপে ধাপে PNG সংযোগ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় পাইপলাইন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। বেঙ্গল গ্যাস কোম্পানির সিইও অনুপম মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে রাজারহাট, বারাসত, মধ্যমগ্রাম এবং রাজপুর সোনারপুর মিলিয়ে প্রায় পাঁচ লক্ষ বাড়িতে PNG পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ পুজোর আগেই বঙ্গ বিজেপিতে বড়সড় সাংগঠনিক রদবদলের ইঙ্গিত! কার মাথা থেকে সরে যাবে সাংগঠনিক মুকুট, আর কার হাতে উঠবে দলের নতুন ক্ষমতার চাবিকাঠি? ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতিতে কি চমক দিতে চলেছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব?
তবে এই প্রকল্পের পথে কিছু সমস্যা এখনও রয়েছে। বিমানবন্দর এলাকার এক নম্বর গেটের কাছে প্রায় তিন কিলোমিটার অংশে এয়ারপোর্ট অথরিটির অনুমতি না মেলায় পাইপলাইন বসানোর কাজ আটকে আছে। সংস্থার আশা, প্রয়োজনীয় অনুমতি মিললেই সেই কাজও শেষ হবে এবং গ্যাস সরবরাহ আরও সহজ হবে। ইতিমধ্যেই নদিয়ার কল্যাণীতে সফলভাবে PNG পরিষেবা চালু হয়েছে, সেই অভিজ্ঞতাকেই সামনে রেখে সল্টলেকেও দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।






