বি-টাউনের হট কাপল ছিলেন মালাইকা আরোরা ও আরবাজ খান। তাদেরকে লোককে অবিচ্ছেদ্য জুটি বলেই জানত। অনেকবার তাদের সম্পর্কের ভাঙ্গনের গুজব আসলেও মানুষ বিশ্বাস করেনি। কিন্তু যখন সত্যিই তাদের সম্পর্ক ভাঙলো তখন মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন জেগেছিল যে কী কারণে ভাঙল এই অটুট বন্ধন? মালাইকা আরোরা ও আরবাজের সম্পর্কের ভাঙনে পেছনে প্রকৃত কারণ কী তার কোনও এক সঠিক কারণ আজও উঠে আসেনি। খান পরিবারের তরফ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল, তাতে এই ইঙ্গিত ছিল স্পষ্ট যে মালাইকার আচরণে ক্ষুব্ধ আরবাজ।
তারপরে সামনে আসে মালাইকা আরোরা ও অর্জুন কাপুরের সম্পর্কের কথা। সলমন খান নিজেই বাড়িতে এনেছিল অর্জুনকে। অর্পিতার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন অর্জুন। সেখান থেকে যে তিনি মালাইকার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়বেন একথা দুঃস্বপ্নেও কেউ বোধহয় ভাবেননি।
কেন মালাইকার প্রেমে পড়লে অর্জুন? চল্লিশের এর উপর বয়স হওয়া সত্ত্বেও তার সেক্স অ্যাপিল আজও ভারতের তরুণ হৃদয়ে ঝড় তোলে সেজন্যই কি মালাইকার প্রেমে মজেছিলেন অর্জুন?
যার জেরে আরবাজের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় মালাইকার।
কফি উইথ করণ রিয়ালিটি শো-তে পরিবার নিয়ে মুখ খোলেন মালাইকা। জানিয়েছিলেন, তাঁর কাজ নিয়ে কোনও দিনই আপত্তি করেনি খান পরিবার। সবাই সাধ্যমত তাঁর পাশে থেকেছেন। লোকের কথায় কান দেওয়া, তা থেকে নিজের মতামত তৈরি করার মত মানুষ আরবাজ নন, মালাইকা সাফ জানিয়েছিলেন, আরবাজ নিজে ভীষণ আত্মবিশ্বাসী, এবং স্পষ্টভাবে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করেন, তাই কখনই তাঁদের মধ্যে তেমন ভুল বোঝাবুঝি জায়গা করে নিতে পারেনি।
আরবাজের পরিবারে সকলেই কাজটাকে খুব গুরুত্ব দেয়, সম্মান করে, তাই কখনই তাঁকে জোর করা হয়নি ঠিক কি ধরনের কাজ করা উচিত, আর কোনটা উচিত নয়।
যখন তিনি বিয়ে করে বাড়িতে পা রেখেছিলেন, তখন সকলেই তাঁকে গ্রহণ করেছিলেন দুহাত বাড়িয়ে। পরবর্তীতে তা কখনই বদলায়নি। কোনও দিনই তাঁকে জোর করা হয়নি রীতি-নীতি-আচার-নিয়ম মেনে চলার জন্য।
শেষে মালাইকা আরও বলেন, কেবল তাঁর ক্ষেত্রেই নয়, পরিবারের সকলের ব্যবহারই খুব সুন্দর সকলের প্রতি। যে সে বাড়িতে পা দেবে, প্রতিটা সদস্যই তাঁকে আপন করে নেবে।
বর্তমানে মালাকইকা ও আরবাজ দুজনেই নিজের মতো করে নিজেদের পছন্দের প্রেমিক-প্রেমিকার সঙ্গে রয়েছেন লিভ-ইন সম্পর্কে, সন্তানের জন্য মাঝে মধ্যে এখনও যোগাযোগ করে থাকেন তাঁরা।






