কবে আসবে ভয়াবহ করোনার প্রতিষেধক? ইতিমধ্যেই কেটেছে ৭টি মাস! বিশ্বজুড়ে প্রাণ হারিয়েছেন কয়েক লক্ষ মানুষ। দেখতে দেখতে ভারত উঠে এসেছে বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমনের তৃতীয় স্থানে। এই ভাইরাস থেকে বাঁচাতে একাধিক দেশের বিজ্ঞানীরা রাতদিন রীতিমতো পরিশ্রম করে চলেছেন। তবে শুধুমাত্র আশার আলো কিছুটা হলেও দেখিয়েছে ব্রিটেন। এখনও অবধি ইংল্যান্ডে এই ভ্যাকসিন আবিষ্কারের কাজ সবচেয়ে গঠনমূলক জায়গায় পৌঁছেছে৷ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের AZD1222 ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে প্রমাণিত হয়েছে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় প্রভাব বিস্তার করছে এই ভ্যাকসিন ৷ এই ভ্যাকসিন AstraZeneca কোম্পানি তৈরি করবে ৷ ভারতীয় কোম্পানি সিরাম ইন্সটিটিউট অফ ইন্ডিয়া (SII) এই প্রকল্পের অংশীদার ৷ তবে তারা শুধুমাত্র এই প্রকল্পের অংশীদার তাই নয়, এই ভ্যাকসিনের ট্রায়ালও ভারতে ষ শুরু করতে চায় তারা ৷ সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে লাইসেন্স পেলেই তারা ভারতে এই ভ্যাকসিনের উৎপাদন শুরু করে মানুষের দেহে পরীক্ষামূলক ভাবে প্রয়োগ করতে চায় এই ভ্যাকসিন ৷
বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী সংস্থা সিরাম ইন্সটিটিউট অফ ইন্ডিয়া (SII)-র প্রধান অদর পুনাওয়ালা বলেছেন AZD1222 প্রথম পর্বের পরীক্ষায় দারুণ ফলাফল এসেছে ৷ তাই নতুন আশা তৈরি হয়েছে যে এর ফলে মানুষের ওপর রেজাল্ট পজিটিভ হবে ৷
করোনা থেকে বাঁচাতে খুব দ্রুত ভ্যাকসিনটি তৈরি করেন অক্সফোর্ডের গবেষকরা৷ সারা গিলবার্টের নেতৃত্বে অক্সফোর্ডের গবেষকদের দাবি, তাঁদের তৈরি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন টি-সেলস তৈরিতেও সক্ষম। মডার্না, ফাইজারের মতো বিশ্বের বহু সংস্থা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পিছনে ছুটে চলেছে। তাদের কারও প্রথম বা দ্বিতীয় দফার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বা পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে কেউ এখনও পর্যন্ত দাবি করতে পারেনি যে, তাদের ভ্যাকসিনে অ্যান্টিবডির সঙ্গে টি-সেল্স তৈরি হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১,০৭৭ জনের ওপর এই ভ্যাকসিন পরীক্ষা হয়েছে ৷ ভারতের মানুষদের ওপর এর সফল পরীক্ষণ হলে ভারতীয়রাও এই মারণ রোগ থেকে মুক্তি পাবে ৷ সিরম ইন্সটিটিউট অফ ইন্ডিয়া ভ্যাকসিনের ১০০ কোটি ডোজ তৈরি করবে ৷ এর ৫০ শতাংশ ভারতে ব্যবহারের জন্য হবে ৷ আর বাকি ৫০ শতাংশ মধ্যম আয়যুক্ত দেশের জন্য ব্যবহার করবে ৷






