টাকা দিচ্ছে না সুইগি, বিক্ষোভ-অবস্থানে কাজ বন্ধ করলেন‌ ডেলিভারি বয়-রা

লকডাউনে কেউ বাইরে বেরোচ্ছি না ঠিকই কিন্তু ইচ্ছা হলে ফোন খুলে ফুড ডেলিভারি অ্যাপ (Food Delivery App) থেকে নামিদামি রেস্টুরেন্টের খাবার অর্ডার করছি। যদিও স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় অর্ডারের সংখ্যা খুবই কম তবুও অর্ডার পড়ছে এই ফুড ডেলিভারি অ্যাপগুলিতে। কিন্তু গত তিনদিন ধরে দক্ষিণ দমদম, চিনার পার্ক সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় সুইগি (Swiggy) থেকে খাবার ডেলিভারি বন্ধ রয়েছে! সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখিয়ে কাজ বন্ধ রেখেছেন প্রায় ৭০০-৯০০ জনের বেশি ডেলিভারি বয়।

চিনার পার্ক, রাজারহাট, দক্ষিণ দমদম, লেকটাউন, বারাসত, মধ্যমগ্রাম এলাকায় গত তিনদিন ধরে কাজ বন্ধ রেখেছেন এই ডেলিভারি পার্সনরা। তাঁদের বক্তব্য, সুইগি (Swiggy) তাঁদেরকে ন্যায্য টাকা থেকে বঞ্চিত করছে।

swiggy delivery person

কিন্তু কীভাবে এই কাজ করছে সুইগি (Swiggy)?

এই ডেলিভারি বয়দের বক্তব্য, আগে তাঁরা প্রতি ডেলিভারি পিছু সুইগি (Swiggy) থেকে কমপক্ষে পেতেন ৩৫ টাকা। কিন্তু লকডাউন শুরু হওয়ার পর কিছুদিনের মধ্যেই সুইগি (Swiggy) এই টাকা কমিয়ে ডেলিভারি প্রতি কমপক্ষে ১৫ টাকা করে দেওয়া শুরু করে। এখন লকডাউন এর মধ্যে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কম অর্ডার পাচ্ছেন এই সুইগি (Swiggy) ডেলিভারি বয়রা। ফলে তাঁদের আয় প্রায় তলানিতে ঠেকেছে। কিন্তু এই করোনা পরিস্থিতিতে রীতিমতো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তাঁরা। ঝড়, বৃষ্টি, রোদ যাই হয়ে যাক না কেন, সুইগি বয়দের কাজ কিন্তু বন্ধ থাকছেনা।

swiggy delivery person protest

ফলে বাইক বা স্কুটির ফুয়েল চার্জ বা জ্বালানির টাকা দিয়ে এই মানুষগুলো একদমই আয় করতে পারছেন না। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভ জমেছে এই মানুষগুলোর মনে। তাই চিনার পার্ক এবং দক্ষিণ দমদম এলাকায় গত তিনদিন ধরে এবং বাকি এলাকাগুলিতে গতকাল থেকে ডেলিভারি বন্ধ রেখেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, যতক্ষণ না সুইগি (Swiggy) এই সমস্যার সমাধান করবে তাঁরা কাজে যোগ দেবেন না। যদিও সুইগির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, সংস্থার তরফ থেকে কোনো ইতিবাচক উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

আরও অন্যান্য খবর