নারদা কান্ডে এবার ফের বিজেপির হাইকমান্ডার মুকুল রায়কে ই-মেল মারফত নোটিশ ধরাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট তথা ইডি। আজ কিছুক্ষণ আগে তাঁর কাছে ইমেলে এই নোটিশ গিয়েছে এই কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফ থেকে। তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সমস্ত সম্পত্তির খতিয়ান তুলে দিতে হবে ইডির হাতে, এরকমটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। এর আগেও আরেকবার তার কাছে নোটিশ গিয়েছিল কিন্তু করোনা আবহে সেই সময় মুকুল রায় এই নির্দেশিকা পালন করতে পারেননি।
এর আগে ২০১৭ সালে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদান করার কিছুদিন পরেই ইডির দফতরে হাজিরা দিতে দেখা যায় মুকুল রায় কে। একবছর আগে সিবিআইয়ের জেরার মুখে পড়েন বিজেপির অন্যতম এই শীর্ষ নেতা। প্রসঙ্গ অবশ্যই নারদা কান্ড। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে তাঁর জেরা করা হয়।
২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের আগে নারদা চ্যানেলে কিছু স্টিং অপারেশনের ছবি ছড়িয়ে পড়ে যেখানে তৃণমূলের কিছু নেতার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই সময় সেখানে মুকুল রায়ের নাম জড়িয়ে পড়ে। এর আগে সারদা চিটফান্ড কাণ্ডে তাঁর নাম জড়িত আছে বলে শোনা যায়। যদিও নারদাকান্ডে মুকুল রায়কে কিন্তু ক্যামেরার সামনে টাকা নিতে দেখা যায়নি।
এরপর ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করেন এবং সেই বছরই নভেম্বর মাসে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন। এর পরে তাঁকে নিয়ে বহুবার জল্পনা হয়েছে যে তিনি ফের তৃণমূলে ফিরে আসতে পারেন তবে কিছুদিন আগেই মুকুল রায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি বিজেপিতে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন।






