“আজ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কালো দিন। আজ দিনের আলোয় সংবিধান ও গণতন্ত্রকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার হত্যা করেছে।” নবান্ন অভিযান এর পর সাংবাদিক বৈঠকে এভাবেই গর্জে উঠলেন বিজেপি যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য। তিনি বললেন, “আমাদের হাজারের বেশি কর্মী আহত হয়েছেন। পাঁচশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।গতকাল রাত থেকেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় যে বাস ঢুকছে তা আটকে দেওয়া হচ্ছে। এটাকে কি গণতন্ত্র বলে? রাজনৈতিক বিক্ষোভের কোন অধিকার থাকবে না? গোটা হাওড়া ব্রিজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং দুই থেকে তিন জায়গায় লাঠিচার্জ হয়েছে।”
স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির এই তরুণ তুর্কি রীতিমতো ক্ষুব্ধ। তার বক্তব্য, গোটা দেশের মধ্যে আজ সব থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত রাজ্য সরকার হচ্ছে বাংলার তৃণমূল সরকার। এখানে কাটমানি ও সিন্ডিকেট রাজ চলে। বেকারত্ব বেড়েই চলেছে। এই দুর্নীতিগ্রস্ত ও কর্মনাশা সরকারের বিরুদ্ধে যারা সরব হন তাদেরকে রাজনৈতিক হত্যা করা হয়। একশো কুড়ি জনের বেশি বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে।
বস্তুত সর্বভারতীয় সভাপতি পদের দায়িত্ব পাওয়ার পর আজ তেজস্বী সূর্যকে প্রথম এত বড় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে। তিনি বাংলার যুবকদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানালেন, “বাংলায় গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হবে। সারাদেশ আপনাদের পাশে। এটা লড়াই এর সূচনা। যুব মোর্চাকে দিদি ভয় পেয়েছেন তাই দু’দিনের জন্য নবান্ন বন্ধ করে দিয়েছেন। ইয়ে ডর আচ্ছা হ্যায়।”
নামের মত কাজেও যে তিনি তেজস্বী তা তার পরবর্তী বক্তব্যে ফুটে ওঠে, “অন্ধকার সরিয়ে নতুন সূর্যের উদয় হবে। বাংলায় সরকার গঠন করবে বিজেপি। বাংলায় আগামী সরকার, বিজেপি সরকার।”





