দীপাবলি কথার অর্থ ‘প্রদীপের সমাহার’। এই দিন হিন্দুরা নিজেদের ঘরে ছোটো ছোটো মাটির প্রদীপ জ্বালান। এই প্রদীপ জ্বালিয়ে পরিবার থেকে অমঙ্গল বিতাড়িত করেন। বলা হয়, দীপাবলির দিন প্রদীপ জ্বালালে অশুভ শক্তি নাশ হয়।
এ বছর ১৪ই নভেম্বর দীপাবলি পালন হবে। এ দিন বাংলায় দীপান্বিতা কালীপুজোর বিশেষ মাহাত্ম রয়েছে। এইদিন বাড়ি ঘর পরিষ্কার করে সারারাত প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখেন অনেকে। উত্তর ভারতের বহু বাড়িতেই এ দিন লক্ষ্মীপুজো হয়। এই পুজোর মাধ্যমে বাড়ি থেকে অলক্ষ্মী বিদায় করে বাড়ির শান্তি বজায় রাখা হয়।
অন্যদিকে স্কন্ধ পুরাণ মতে, এই দিন যমরাজের জন্য প্রদীপ ও নৈবেদ্য উৎসর্গ করলে বাড়ি থেকে অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা দূর হয়। আসুন দেখে নিই কী উপায়ে এই শুভ তিথিতে বাড়িকে বিপদমুক্ত রাখবেন।
দীপাবলির দিন মাটির প্রদীপ কিনে বা বানিয়ে তা ভালো করে ধুয়ে রাখুন। এরপর প্রদীপে দুটি সলতে ক্রশ করে এমনভাবে রাখুন যাতে প্রদীপের বাইরে চারটি দিক দিয়ে প্রদীপটি জ্বালানো যায়। এবার প্রদীপের মধ্যে তিলের তেল দিন। প্রদীপের মধ্যে কিছুটা কালো তিল দিয়ে দিন। এরপর বাড়ির মূল দরজার সামনে মাটির তাল বা গমের ছোট্ট গাদা তৈরি করে রাখুন। তার উপরে দক্ষিণ মুখ করে প্রদীপটি জ্বালিয়ে বসিয়ে দিন। এরপর তাতে ফুল নিয়ে যমদেবকে স্মরণ করুন। “নম যমদেবায় নমঃ” মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে যমদেবের জপ করুন। দীপাবলির দিন এই নিয়ম পালন করলে ও দীপদান করলে, সেই ভিটে থেকে অকাল মৃত্যুর ভয় সামান্য হলেও কাটানো যায়।






