নাইসেডে গিয়ে কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার আর্জি রাজ্যপালের! 

কোভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে স্বেচ্ছাসেবক হতে চান পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এক হাজার জনের উপর হতে চলা বাংলায় ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের আগে বুধবার সকালে বেলেঘাটার নাইসেডে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সেখানেই তিনি স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার আর্জি প্রকাশ করেন। 
কিন্তু করোনার প্রতিষেধক গ্রহণের জন্য মানুষের শরীরের ওপর বেশ কিছু শর্তাবলী প্রযোজ্য রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো বয়স।
আর কো-ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য বাংলার রাজ্যপালের বয়স বেশ খানিকটা বেশি।
এছাড়া রয়েছে কো-মরবিডিটি। তাই এ বিষয়ে তাঁর চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন বলেই জানায় নাইসেড।
সূত্র মারফত জানা গেছে, এদিনে, নাইসেড এখনও পর্যন্ত  মাত্র সাড়ে তিনশোজন স্বেচ্ছাসেবী পেয়েছে। বয়স্ক অথচ কো-মরবিডিটি নেই এমন স্বেচ্ছাসেবকের অভাবেই ভুগছে নাইসেড। তার ফলে বিলম্বিত হতে পারে ট্রায়াল।
দেশের ২৪টি সেন্টারে ২৮ হাজার ৫০০ জনের উপর প্রয়োগ করা হবে কোভ্যাক্সিন। তার মধ্যে বাংলায় এক হাজার জন। বুধবার থেকে রাজ্যে শুরু কোভ্যাকসিন তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল। তার আগে এদিন সকালে নাইসেডে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। দু’জনকেই স্বাগত জানান অধিকর্তা ডঃ শান্তা দত্ত।
নাইসেডে‌ও সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন জগদীপ ধনকড়। কেন্দ্রের আয়ুষ্মান প্রকল্প চালু করেনি বাংলার সরকার। আরও একবার রাজ্যের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন তিনি।
এদিকে, আজ বিকেল চারটের সময় কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে অংশ নেবেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক তথা পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম I
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কোভ্যাক্সিনের ট্রায়ালের জন্য বয়স্ক অথচ কো-মরবিডিটি নেই স্বেচ্ছাসেবকের প্রয়োজন। তবে সূত্রের খবর, সেইরকম কাউকেই বিশেষ পাওয়া যাচ্ছে না। নাইসেডের অধিকর্তা জানিয়েছেন, মোট এক হাজারের জনের উপর কোভ্যাক্সিনের ট্রায়াল হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সাড়ে তিনশো জনের মতো স্বেচ্ছাসেবক পাওয়া গিয়েছে। অনেকেই আবেদন করছেন।
কোভ্যাক্সিনের ট্রায়ালে স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার শর্তও জানান  তিনি। নিয়মানুযায়ী নাইসেডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করা যেতে পারে। ট্রায়ালের পর ৩০ মিনিট নাইসেডে থাকতে হবে। অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বেচ্ছাসেবককে ভরতি করা হবে হাসপাতাল অথবা নার্সিংহোমে। স্বেচ্ছাসেবকদের নাইসেডের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাস করতে হবে। এছাড়াও প্রতি মাসে শারীরিক অবস্থার গতিপ্রকৃতি জানাতে হবে স্বেচ্ছাসেবককে।

আরও অন্যান্য খবর